কালিয়াকৈর এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতার ক্রয় করতে অসন্তোষ , দেখার মত কেউ নেই
গাজীপুর কালিয়াকৈর উপজেলা বিভিন্ন বাজার গ্রামে মহল্লায় গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১২ কেজির এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে বিক্রেতা বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বিক্রেতা কিন্তু সাধারণ ক্রেতার হাতের নাগালের বাইরে । তবে সরকারি এই মূল্য নির্ধারণের পরও বাজারে এর কোনো প্রতিফলন নেই- বরং আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপিজি সিলিন্ডার।

01830 393439
বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে দেখা গেছে, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দোকানভেদে দামের তারতম্য থাকলেও কোথাও সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না।
সরকারি মূল্য বনাম বাস্তবতা
বিইআরসি ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী এপ্রিল মাসে একজন ভোক্তার ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে খরচ হওয়ার কথা এক হাজার ৭২৮ টাকা। কিন্তু বাস্তবে তাকে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এতে মাসিক গ্যাস খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। শুধু ১২ কেজির এলপিজি নয়, অন্যান্য পরিমাপের সিলিন্ডার কিনতেও বাড়তি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা গুনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯
ভোক্তারা বলছেন, এলপিজির দাম আগে থেকেই সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি ছিল। নতুন করে দাম বাড়ানোর ফলে বিক্রেতারা সেটিকে আরও বেশি দামে বিক্রি করছেন।
চন্দ্রা হরতকিতলা আমতলা মোড়ের বাসিন্দা সিয়াম হোসেন বলেন, আগে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায় এলপিজি সিলিন্ডার কিনতাম, এখন ২২০০ টাকা দিতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। সরকারি দামে কোনো মাসেই এলপিজি কিনতে পারি না।
বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ সংকট, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং ডিলার পর্যায়ে উচ্চমূল্যের কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাদের মতে, নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না বলেই খুচরা পর্যায়ে দাম বেড়ে যাচ্ছে।
কথা হয় গাজীপুর কালিয়াকৈর এলপিজির খুচরা ব্যবসায়ী রাসেল হোসেনের সঙ্গে তিনি বলেন, ১২ কেজির সিলিন্ডার ২১০০ টাকায় বিক্রি করছি। আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরকারি দামে আমরাও পাই না, বিক্রি করবো কীভাবে!

চন্দ্রা এলাকার মায়ের দোয়া এন্টারপ্রাইজের এলপিজি ব্যবসায়ী শাহজাহান হোসেন মুঠোফোনে বলেন, ১২ কেজির এলপিজি ২২০০ টাকা। সরকার দাম বাড়িয়েছে তাই দাম বেশি। আমরা বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করি। আমাদের কিছুই করার নেই।
জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এলপিজি বাজারে কার্যকর মনিটরিংয়ের অভাব রয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি দুর্বল হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়ানোর সুযোগ পেয়ে বেশি মুনাফা অর্জন করতেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন