খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

পণ্যজটে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতার ৪০ শতাংশ অকার্যকর, অর্থনীতিতে বাড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
পণ্যজটে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতার ৪০ শতাংশ অকার্যকর, অর্থনীতিতে বাড়ছে নেতিবাচক প্রভাব

বন্দরের ইয়ার্ডে ৯ হাজার ৩৩০ টিইইউ কনটেইনার দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনারের বকেয়া স্টোরেজ মাশুল ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকা।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

কাস্টমসের বিলম্বের কারণে ৬ হাজার ৪৪০ ডলারের পণ্যের বিপরীতে ডেমারেজসহ বিভিন্ন চার্জ প্রায় ২২ হাজার ডলারে পৌঁছেছে।
স্বাধীন রিভিউ প্যানেল এবং বিশেষায়িত কাস্টমস বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব ‘সনাক’ সভাপতির।

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দরে বছরের পর বছর ধরে পড়ে থাকা আমদানিকৃত পণ্য ও কনটেইনারের জটে বন্দরের পরিচালন সক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এর ফলে জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম বৃদ্ধি, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

বিলম্ব এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (সিপিএ)।
সিপিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বন্দরের ইয়ার্ডে ৯ হাজার ৩৩০ টিইইউ কনটেইনার দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে, যা মোট ইয়ার্ডের প্রায় ২২ শতাংশ জায়গা দখল করে আছে। বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর দাবি, প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা, কাস্টমস জটিলতা ও আইনি প্রক্রিয়ার ধীরগতির কারণে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের পণ্য আটকে রয়েছে বলে টিসিবি বাংলার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গে়ছে। কনটেইনারের ডেমারেজ, স্টোরেজ চার্জ ও অন্যান্য ক্ষতি মিলিয়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ ৫০০ কোটি ডলারেরও বেশি বলে তারা ধারণা করছে।
এ পরিস্থিতিতে গত ২ জুলাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে দ্রুত নিলামযোগ্য ও পরিত্যক্ত পণ্য নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সিপিএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনারের বকেয়া স্টোরেজ মাশুল ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এসব কনটেইনার অপসারণ করা গেলে বিদ্যমান অবকাঠামোতেই বছরে ৪০ শতাংশ বেশি পণ্য হ্যান্ডলিং সম্ভব হবে এবং অতিরিক্ত শত কোটি ডলারেরও বেশি রাজস্ব অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বন্দর সূত্র জানায়, বর্তমানে ইয়ার্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৯ প্যাকেজ এলসিএল কার্গো, ৬ হাজার ৭৯২ প্যাকেজ বাল্ক কার্গো এবং ৭৭৫ প্যাকেজ ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পড়ে রয়েছে। এর মধ্যে কিছু পণ্য ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্দরে অবস্থান করছে এবং অধিকাংশই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমিরুল হক বলেন, কাস্টমসে একটি চালানের মূল্যায়ন শেষ হতে ৮ থেকে ১০ দিন সময় লাগলেও চার দিন পর থেকেই ডেমারেজ আরোপ করা হয়। এতে ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় এবং কাঁচামাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হয়।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি খায়রুল আলম সুজন বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে আনা পণ্য বছরের পর বছর বন্দরে পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনগুলোও কনটেইনার ব্যবহার করতে না পারায় বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
প্রতিবেদনে একটি উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে আসা প্লাস্টার অব প্যারিসবোঝাই একটি কনটেইনার ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৭৬৪ দিন বন্দরে আটকে ছিল। এ সময় শুধু বন্দর মাশুলই দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার ডলার।
অন্যদিকে বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠানের আমদানি করা রক সল্টের কনটেইনার আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও সময়মতো খালাস হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, কাস্টমসের বিলম্বের কারণে ৬ হাজার ৪৪০ ডলারের পণ্যের বিপরীতে ডেমারেজসহ বিভিন্ন চার্জ প্রায় ২২ হাজার ডলারে পৌঁছেছে। তারা ঘুষ দাবি ও হয়রানির অভিযোগ তুললেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
তবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র শরীফ আল আমিন বলেন, বন্দরে থাকা সব কনটেইনার আইনগতভাবে নিলামযোগ্য নয়। অনেক চালান মামলা, রিট, তদন্ত, মূল্যায়ন-সংক্রান্ত বিরোধ এবং আদালতের আদেশের কারণে আটকে রয়েছে। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নিলামযোগ্য ৫ হাজার ৬৩০টি কনটেইনারের মধ্যে ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৯৮টি কনটেইনার নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এছাড়া ৫৪টি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে এবং আরও ১৩২টির ধ্বংস প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এনবিআর, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত নিলামযোগ্য পণ্য নিষ্পত্তি, কাস্টমস-সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) ব্যবস্থা চালু, ফাস্ট-ট্র্যাক বিচার এবং কাস্টমসের জন্য পৃথক কনটেইনার ইয়ার্ড গড়ে তুললে সংকট অনেকাংশে নিরসন সম্ভব।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার কবীর চৌধুরী কাস্টমস-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে একটি স্বাধীন রিভিউ প্যানেল এবং বিশেষায়িত কাস্টমস বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, আমদানিকৃত পণ্য দীর্ঘদিন বন্দরে আটকে থাকলে দেশের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা—সব ক্ষেত্রেই ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। তাই দ্রুত ও স্বচ্ছ বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থাই এ সংকট থেকে উত্তরণের কার্যকর পথ।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।