যুবদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ এর ওপর সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি নেতা খায়রুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল
যশোরের চৌগাছা উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক ও প্রেস ক্লাব চৌগাছার যুগ্ন আহবায়ক ইঞ্জি. রাজু আহাম্মেদ এর পাতিবিলা বাজারে নিজ বাবসা প্রতিষ্ঠানে তার ওপর গত ১৯/০৭/২৫ এ অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায় তাঁকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বিএনপি নেতা খায়রুল, খায়রুলের ফুফাতো ভাই মাদক ব্যবসায়ী আলমগীর খোকন , তার চাচা মফিজ উদ্দিন, মুন্না , জুয়েল , জাহিদ এবং আরজু প্রমুখ। পরে রাজু থানাতে মামলা করতে আসে তখনকার ওসি আনোয়ার হোসেন ভিডিও ফুটেজ দেখে মামলা গ্রহণ করতে রাজি হন।

ভিডিও ফুটেজ ও প্রতক্ষ সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে মামলার আইও চৌগাছা থানার এসআই মারুফ হাসান অপরক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করেন।
সরজমিনের খাইরুল মেম্বার এর কিছু অপকর্ম তুলে ধরার চেষ্টা:

এলাকা সূত্রে জানা যায় খায়রুল মেম্বার এলাকায় চাঁদাবাজি, সরকারি জমি দখল,অবৈধ ভাবে মাটি ও বালি বিক্রি করেন , তিনি জনসম্মুখে বলেন চৌগাছা উপজেলার কোনও বিএনপির নেতাকর্মী নাই যে তার সামনে কথা বলে সবাই নাকি তার কাছে জিম্মি, সে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে, হিন্দুদের দোকান প্যাট থেকে জোর পূর্বক মালামাল ছিনতাই করে আলমগীর খোকন ও মুন্না জুয়েল , জাহিদ , সুতরাং অনেক হিন্দু জমি বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ।
সাম্প্রতিক একজন বালি বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন প্রথম সকাল কে বলেন , ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে খায়রুল মেম্বার আমার কাজ থেকে চাদা নেওয়ার জন্য চাপ নেক ছাপ চাপ -গালি গালাজ ও মারধরের হুমকি প্রদান করেন , এমনকি টাকা না দিলে পাতিবি”লা বাজারে কুষ্টিয়া বালি বিক্রি করতে দিবে না।খায়রুল বিএনপির ক্ষমতার অপব্যবহার করে, তার দলীয় পদের অনেক অহংকার।এই সব লোকের জন্য গ্রাম গঞ্জে বিএনপির ক্ষতি হচ্ছে ।

তিনি বলেন রাজু একটা শিক্ষিত ভালো পরিবারের ছেলে সে চাঁদাবাজি ও চুরি ছিনতাই পছন্দ করে না কিন্তু এটা খায়রুলের জন্য বড় বাধার কারণ।রাজু প্রায়ই ওদের কে মামা করত এই সব কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য যার কারণে এই জঘন্য হামলা, যদি ধারালো রামদার কোপ লাগতো তাহলে রাজুর মাথা কেটে পড়ে যেত । পরে ইসলাম এর মাথায় আঘাত লাগে ,হুমায়ুন ও রফি কে এলোপাথারি কোপাতে থাকে।
রাজুর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই মামলার আসামিরা তাঁকে বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকি দিচ্ছে , এমনকি মামলা তুলে না নিলে তার পরিবারের সবাই কে মেরে ফেলার হুমকি চলমান।

১২ ই ফেব্রুয়ারী -২৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ভোটের পর দিন চাদা না দেওয়ায় বিশিষ্ট সার বাবসায়ী আতিয়ার রহমানের সেগুন বাগান কেটে দেন। এতে সার বাবসায়ী আতিয়ার রহমান অনেক ক্ষতি গ্রস্ত হন ।
পলাশ , দাউদ, বজলুর রহমান ইত্যাদি অনেকের বাড়িতে গিয়ে চাদার জন্য হুমকি প্রদান করেন এবং রাজু সহ কারোর সাথে যেন কোনও সম্পর্ক না থাকে। ৫ ই আগস্ট ২৫ এর পরবর্তী সময়ে খাইরুল মেম্বার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাত থেকে অপমান হতে এমনকি বিএনপি ও জামাত ও আওয়ালিগ সহ সর্ব সাধারণের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন ।
তার ফুফাতো ভাই মাদকা শক্ত আলমগীর খোকন কে ১ টা ৯ এমএম পিস্তল কিনতে সাহায্য করে , এবং তার মাধমে সরকারি রাস্তার গাছ কেটে বিক্রি, গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি, রাস্তাই ডাকাতি, ও গ্রাম বাসির গরু ছাগল চুরি সহ একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত।
ভুক্ত ভোগী মঙ্গল নামের এই বয়স্ক ব্যক্তি বলেন বাবা আমার বড় বড় ২ টা ছাগল নিয়ে গেছে খাইরুলের হুকুমে এই খোকন কিন্তু আমি দেখে ও ভয়ে কিছু বলতে পারছিনা কিছু বললে মেরে ফেলবে।
রূপালি খাতুন নামের এক স্কুল শিক্ষিকা বলেন খায়রুলের নেশা খর বাহিনী আমার মায়ের অনেক কষ্টে পোষা ২ ছাগল গেটের সামনে থেকে নিয়ে বিক্রি করে দেইছে।
শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, বিনা অপরাধে আমাকে মেরে আমার ৫৯ হাজার টাকার মোবাইল টা ভেঙ্গে দিল আলমগীর খোকন।


খায়রুলের এই সব অপকর্ম সম্পর্কে ইতি মধ্যে চৌগাছা উপজেলা বিএনপি অবগত আছেন।
কিছু দিন আগে উপজেলা বিএনপি সভাপতি র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কি আর বলব বলেন আমি নিজেই পুলিশ অফিসার পাঠিয়ে খায়রুলের কাছ থেকে একটা মোটর সাইকেল উদ্ধার করেছি ও একটা খারাপ প্রকৃতির ছেলে, সে এমন ভাব করে আমরা সভাপতি সেক্রেটারি তার কাছে কিছু না, আমরা শুনেছি সে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ কে বিভিন্ন চায়ের দোকানে আজে বাজে কথা বলে, আমরা জেলা বিএনপির কাছে আমাদের অভিযোগ দিয়েছি দেখি জেলার নেতৃবৃন্দ কি করে।
এসআই মারুফ হোসেন বলেন, রাজুর নিরাপরাধ ওনার ওপর হামলা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত, এটা হত্যার উদ্দেশ্যেই আক্রমণ করেন কিন্তু ওনার দোকানের কিছু ক্রেতা মালামাল ক্রয় করতে আসার কারণে রাজু প্রাণে বেঁচে যান, এটা খুবই জঘন্যতম কাজ। আমরা ভিডিও ফুটেজ, সাক্ষীদের ও এলাকা বাসীর সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেছি মহামান্য আদালতে বিচারিক কার্য চলমান।



আপনার মতামত লিখুন