খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

মধুময় কণ্ঠের অগ্নি-নীল সংগ্রাম—এক শিক্ষিকার জীবনের আলো ও অনলকাব্য

শেখ শহীদুল হক বাবলু নিজস্ব প্রতিনিধি চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
মধুময় কণ্ঠের অগ্নি-নীল সংগ্রাম—এক শিক্ষিকার জীবনের আলো ও অনলকাব্য

সে এসেছিল নিঃশব্দ সন্ধ্যায়। দরজার ওপাশে দাঁড়িয়ে যেন সময়ের গভীরতা বুকে নিয়ে। মুখে মৃদু হাসি—সেই হাসিতে ছিল ভেতরের ব্যথা ঢাকার নরম পর্দা, আর চোখের ভেতর সততার নির্মল দীপ্তি। নীল শাড়ির পাড়ে বাতাস লেগে উঠছিল, আর তার কণ্ঠস্বর যেন জানালার পাশে বসে থাকা অভিমানী কোকিলের গলায় হারানো বসন্তের ডাক। আজ আমার অফিসের চার দেয়ালে বসে যে গল্প শুরু হলো—সেই গল্প বহু বছরের নীরব সংগ্রামের, অটল পথচলার, আর অসম্ভব দৃঢ়তার।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী—একসময় যেখানে তার সংসার শুরু হয়েছিল। কোনো স্বপ্নহীনভাবে নয়, বরং পরিপাটি এক স্বপ্ন নিয়ে। সংসার, পরিবার, জীবন—সবকিছু যেন ছিল নির্ধারিত ছন্দে, নিভৃত সুখের গোপন সুরে বাঁধা। কিন্তু মাঝ পথে নেমে আসে অন্ধকার—অচিন ঝড়ের মতো। জীবনের আলো তখন ম্লান, পায়ের নীচের মাটি যেন হঠাৎ সরে যায়। তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন—একলা, আপাদমস্তক ভাঙনের বিরুদ্ধে। কিন্তু ভাঙেননি; বরং দাঁড়িয়ে থেকেছেন অদ্ভুত সাহসে।
এক মেয়ে, এক ছেলে—দুজনকেই তিনি বড় করেছেন সুশিক্ষায়, মূল্যবোধে। সংসারের ভাঙন তার জীবনের শেষ কথা হয়নি—বরং নতুন শুরু। একটি নারী যখন নিজেকে পুনর্গঠন করে—সেটিই পৃথিবীর কঠিনতম দৃশ্যগুলোর এক। আর তিনি তা করেছেন। শুধু করেননি—জীবনের পরতে পরতে করেছেন।
তার পেশা—শিক্ষাদান। অটিজম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি শিখিয়েছেন শুধু পাঠ্য নয়—শিখিয়েছেন মানবিকতা। বিশেষ শিশুদের মনোজগত ধরতে ধৈর্যের হাত ধরতে হয়। কোথাও ধৈর্য, কোথাও সহানুভূতি, কোথাও গভীর বোঝাপড়া। সবই ছিল তার স্বভাবসিদ্ধ। তার কণ্ঠে কোনো রাগ নেই, কোনো কঠোরতা নেই—কথা বলেন ফিসফিসিয়ে, যেন ফুলের নরম কুঁড়িতে হাত ছোঁয়া।
আর তার আরেক পরিচয়—সংগীত। গানের জগত তার কাছে শুধু সখ নয়; তা যেন তার শ্বাস। জীবনের প্রতিটি গোপন দগ্ধতায়, অব্যক্ত বেদনায়, সংগ্রামের অগ্নিশিখায়—গানই ছিল তার শান্ত ছায়া। খুব ছোটবেলা থেকে হয়তো ছিল সুরের মায়া, কিন্তু পথের ক্লান্তি পেরিয়ে যখন একদিন উঠে দাঁড়ালেন—তখন গান তার অস্তিত্বের আরেকটি সত্তা।
কথা বলার ভঙ্গিতে রুপালি ঢেউ—কখনো কোমল, কখনো উদাস। তার কণ্ঠ যেন জ্যৈষ্ঠ রাতের আকাশে কোকিলের সুর; কোথাও নির্মল, কোথাও গভীর। তার গানের শব্দের সঙ্গে চোখের মায়া মিললে যেন পূর্ণিমার আলোয় দাঁড়িয়ে থাকা কোনো নীরব নদী। তিনি যখন গান করেন—বুকে কাঁপন লাগে, মনে হয় সে গান অন্য কারও জন্য নয়, কেবল নিজের ভিতরের প্রশ্নগুলোর উত্তর হয়ে ফিরে আসে। সেই সুর, সেই স্বরলিপা তাকে পরিচিত করেছে চট্টগ্রামের সুশীল সমাজের মাঝে। সঙ্গীতই তাকে দিয়েছে মঞ্চ, আলো, আর পরিচয়।
তার নাচও আছে—কালো চুলে বাতাসের দোলার মতো। হয়তো নাচের সুর নেই মঞ্চের স্থায়িত্বে, কিন্তু আছে তার অনুভূতিতে। প্রতিটি নড়াচড়ায় যেন জীবনবোধের গভীর ছাপ। পড়াশোনা, গান, নাচ, পরিবার—সব মিলিয়ে তিনি নিজেকে গড়েছেন নিজস্ব নিয়মে—যেমন নিজের হাতেই বানানো অলংকার পরে কেউ আভিজাত্যের সৌন্দর্য অনুভব করে।
তবে সবচেয়ে অসাধারণ বিষয়—তার আচরণ। মানুষের সঙ্গে তার মিশে যাওয়ার কৌশলে কোনো অনভিজ্ঞতা নেই। চোখে তাকালেই বোঝা যায়—তিনি ভদ্র, কোমল, শুচি। কথায় এমন মাধুর্য যা শুধু উচ্চারণে নয়, বরং হৃদয়ের গভীর থেকে আসে। মানুষকে সম্মান দেন, ভালোবাসেন, আর তার সেই ভাষা যেন রাতের তারার মতো—দূর থেকে টানে।
আজ হঠাৎ দেখা। হঠাৎ কথা। অথচ অচেনা নয়। তিনি আমাকে চিনতেন বহু আগে থেকেই—কিন্তু আমার স্মৃতির দূরত্বে হয়তো তার মুখ ছিল অস্পষ্ট। আজ কাছে আসতেই মনে হলো—এই মানুষটিকে আগে কেন চেনা হয়নি গভীরভাবে? কিছু মানুষের সাথে কথোপকথন যেন নদীর জল; ধীরে ধীরে ছুঁয়ে যায়, নরমভাবে। অল্প সময়েই তার গল্প খুলে এল, এবং প্রতিটি শব্দে ছিল এক বেঁচে থাকার স্থির বোধ।
২০২২ সালে শহরে ফিরে আসেন তিনি। দীর্ঘ দিনের সংগ্রাম শেষে। জীবন যেন আবার নতুন আলোয়। সন্তানদের দায়িত্ব পূর্ণ—নিজের জায়গা নিজেই বানিয়েছেন। তার নিজের হাতের অক্ষরে লেখা নতুন অধ্যায় এখন আরও সমৃদ্ধ। সংগ্রাম এখন শুধু স্মৃতির আর্কাইভ। আর সামনে আছে স্বপ্নের ঘ্রাণ।
তার রূপ মায়াবী—তবে তা কেবল বাহিরের নয়। চোখে এমন কোমল সৌন্দর্য যেন বিষন্ন সন্ধ্যায় জোনাকির আলো। চেহারায় প্রশান্ত আভা—লাবণ্য যেন জলের ঢেউয়ের মতো ঝরে পড়ে। সাজসজ্জায় আড়ম্বর নেই, কিন্তু আভিজাত্য আছে। আর আছে নিজের প্রতি বিশ্বাসের দীপ্ত স্বাক্ষর।
দুপুরশেষের আলোতে তার গল্প শোনার পর মনে হলো—এই নারী জীবনের জটিল অধ্যায়গুলো পেরিয়ে এসেছে নিজেকে ভেঙে না পড়ে। ভাঙা অংশগুলোকে পুনর্গঠন করেছেন, তাতে জুড়েছেন গানের সুর, শিক্ষার দায়িত্ব, সন্তানের চোখের স্বপ্ন, আর নিজের আত্মসম্মান।
বেশি কথা জমা হয়নি। সময়ও ছিল কম। তারপরও মনে হলো—একটি জীবনের গভীর অধ্যায় যেন খুলে দেখা হলো। মানুষের জীবন কখনো কখনো বইয়ের মতো—একদিকে ব্যথা, অন্যদিকে জয়। তিনি সেই বইয়ের পাতায় আজ দাঁড়িয়ে। নিজের লেখা দিনগুলো নিয়ে, নিজের পথচলার সত্যটি নিয়ে।
তার গল্প শেষ হয়নি। এখন শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়—যেখানে সংগ্রামের ছায়া নেই। আছে স্বাধীন সত্তা, আছে অর্জন, আছে সম্মান, আছে সার্থকতার গর্ব।
জীবন যদি নদী হয়—তিনি এখন নিশ্ছিদ্র তীরে দাঁড়ানো জলরাশির মতো। আর যদি জীবন গান হয়—তিনি সেই সুর, যা গভীরে গেঁথে থাকে।
এ পর্যন্ত গল্প বলার মতোই শোনা গেল। কিন্তু বাস্তবে—এ এক নারী যিনি স্থিতিশীলতার অনলছায়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে ছাপিয়ে গেছেন। তার জীবনের পথচলা—অলংকার নয়, পুরস্কার নয়—বরং মানবিকতার ঘ্রাণ দেয়া সবচেয়ে সুন্দর এক কবিতা।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।