খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

কেশবপুরে ৩”হাজার পরিবার পানিবন্ধি অনাহারে দিন কাটছে।

হাফিজুর রহমান (যশোর)
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে ৩”হাজার পরিবার পানিবন্ধি অনাহারে দিন কাটছে।

যশোরের কেশবপুর পৌরসভাসহ উপজেলার অধিকাংশ এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদীর নাব্যতা না থাকায়, অপরিকল্পিত মাছের ঘেরের কারণেই সামান্য বৃষ্টিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলার অধিকাংশ নদী ও খালের কচুরিপানা অপসারন না করায় পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদীর উপচে পড়া পানিতে তলিয়ে গেছে পৌর এলাকাসহ উপজেলার অধিকাংশ নিম্ন অঞ্চল।

পানিবন্দি হয়ে পড়েছে পৌরসভা ও সদর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৩‘হাজার পরিবার। পানিবন্দি মানুষ বসত বাড়ি ছেড়ে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের পাশে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। এছাড়া তলিয়ে গেছে কেশবপুর পাইকারি কাঁচা বাজার, ধান হাট, হলুদ হাটসহ প্রধান প্রধান সড়ক গুলো।

অপরদিকে, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানায় পানিবন্দি এলাকার মানুষজন।

জানা গেছে, কেশবপুর পৌর শহরসহ উপজেলার অধিকাংশ এলাকার বর্ষার অতিরিক্ত পানি হরিহর ও বুড়িভদ্রা নদী দিয়ে আপারভদ্রা নদীতে নিষ্কাশন হয়ে থাকে। এ তিনটি নদী পলিতে ভরাট হওয়ার কারণে গত বছর ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় কেশবপুর বাসীকে। এছাড়া কেশবপুর শহরের আশপাশের নিন্মাঞ্চলের ৪ শতাধিক অপরিকল্পিত মাছের ঘের করার কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় কেশবপুর পৌরসভার আলতাপোল, মধ্যকুল, ভবানিপুর, সাহাপাড়া ও হাবাসপোল গ্রাম, সদর ইউনিয়নের মধ্যকুল, আলতাপোল, সুজাপুর, ব্যাসডাঙ্গা ও রামচন্দ্রপুর গ্রাম পানিতে তলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সরেজমিন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের আলতাপোল বিশ্বাস পাড়া, গাজি পাড়া, ঋষি পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় ঘরের মেঝেতে পানি উঠে গেছে, গাজি পাড়ার আবুল কালামের উঠান প্রায় ৩ ফুট পানিতে থই থই করছে। তার কাছে বন্যা সম্পার্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তার পরিবারসহ ওই এলাকার ২০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। গত দুই দিন পানি আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের মধ্যে অনেকে বাড়ি ঘর ছেড়ে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে আশ্রয় নেওয়া আলতাপোলের ঋষি পাড়ার গুরুপদ দাসের ছেলে মাদব দাস বলেন, গত কয়েক দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে রয়েছি। গত সোমবার বসত ঘরের ভেতর পানি ওঠায় বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে আশ্রয় নিয়েছি।

পৌর এলাকার সরফাবাদ গ্রামের কয়েকজন কৃষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অপরিকল্পিত মাছের ঘের করার কারণে পানি নিষ্কাশনের বন্ধ হয়ে সামান্য বৃষ্টিতে তাদের বাড়ি ও ফসল পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।
পাইকারি কাচা বাজারের ভাই ভাই বাণিজ্য ভান্ডারের মালিক মাহাবুর রহমান বলেন, হরিহর নদীর উপচে পড়া পানিতে কাচা বাজার তলিয়ে গেছে। এ কারনে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত সবজি এ বাজারে আনতে পারছে না। বাধ্য হয়ে ব্যবসায়ীরা মাইকেল মোড়ে নিয়ে গেছে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম বলেন, তার ওয়ার্ডের হাবাসপোল, মধ্যকুল গ্রাম ও ১ নং ওয়ার্ডের ভবানীপুর গ্রামের অধিকাংশ বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে।
কেশবপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব মেহেদী হাসান বলেন, পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে (আলতাপোল) দেড় শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । কেশবপুরের প্রধান নদী হরিহর পলিতে ভরাট ও কচুরিপানা ভরে যাওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশিত হতে না পারায় পানি বৃদ্ধি পেয়ে মানুষের বাড়ি ঘরে উঠে এসেছে। দেড় শতাধিক পরিবার গত কয়েক দিন পানিতে আটকা থাকলেও পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। পানিবন্দিদের মধ্যে অনেকে সড়কের পাশে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। এ কারণে পানিবন্দি মানুষের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা বলেন, তার ইউনিয়নের আলতাপোল, মধ্যকুল, সুজাপুর, ব্যাসডাঙ্গা ও রামচন্দ্রপুর গ্রামের দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন পানি যে ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে আরো অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়বে।
কেশবপুর পৌরসভার সচিব এনামুল হক বলেন, হরিহর নদীর উপচে পড়া পানি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে ২৫”শ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল্ মামুন বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমান নির্ণয়ের জন্য বৈঠক চলছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সুমন সিকদারের মোবইল ফোন বন্ধ থাকার কারনে এ ব্যাপারে তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।