পটিয়া //চট্টগ্রাম//
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিছ মিয়ার ছনহরাস্থ গ্রামের বাড়ীতে ঈদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের মিলনমেলা পরিণত হয়েছে।
এ ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিছ মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ডাঃ শাহাদাথ হোসেন, প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর সাবেক মেয়র ও সংসদ সদস্য মাহমুদুল ইসলাস চৌধুরী, হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবদুছ ছালাম মামুন, চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ সহ-সভাপতি মাহাবুবুল আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব আলী আব্বাছ, যুগ্ম আহবায়ক মিশকাতুল ইসলাম পাপ্পা, সাবেক কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সৈয়দ সাদাত আহমদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাবেক দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক বদরুল খায়ের চৌধুরী,সাবেক দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল গফফার চৌধুরী, রেজাউল করিম নেছার চেয়ারম্যান,আসহাব উদ্দীন, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, খোকন চৌধুরী, লোকমান মাষ্টার, আবদুল মন্নান চেয়ারম্যান, আমিনুর রহমান চেয়ারম্যান, এরশাদুর রহমান লিটু, সাজ্জাদ হোসেন, মোঃ শহিদুল্লাহ, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, মোঃ জাহাঙ্গীর কবির, মোঃ ইব্রাহিম চেয়ারম্যান, ইফতাক হোসেন, সাইফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, চৌধুরী, আবদুল জলিল চৌধুরী, মোঃ আবু জাফর চৌধুরী, কলিমুল্লাহ চৌধুরী, মোঃ ওসমান, ডাঃ ফয়সাল, আবদুল গফুর মেম্বার, হাজী দীন মোহাম্মদ, নুরুল আমিন মধু, জিল্লুর রহমান, সাবেক কমিশনার আমির হোসেন, মোঃ ইব্রাহীম কমিশনার, মোঃ সোলেমান বাদল, ফজলুল কবির,মোঃ ফরিদ উদ্দীন, আবুল কালাম, জসিম উদ্দীন, আবুল কাশেম চেয়ারম্যান, সাজ্জাদ হোসেন, মোঃ ফয়েজ বাবুল, বদরুল আলম, নুরুল হক মেম্বার, মাহাবুল আলম মেম্বার, মোঃ আনোয়ার, আবুল বশর সওদাগর, শাহ আলম এডভোকেট মোঃ ফোরকান, আবদুর রহীম, রবিউল হোসেন বাদশা, মোঃ জাগির মেম্বার, মোঃ আবু তাহের, আবদুল মাবুদ, নুর মোহাম্মদ, আলমগীর মেম্বার, জায়েদুল হক মেম্বার,
লিটন চৌধুরী, নাজমুল হোসেন, পৌর যুবদলের আহবায়ক আবছার উদ্দীন সোহেল, পটিয়া উপজেলা যুবদলের নেতা সেলিম মাষ্টার, আলী আজগর, মোঃ শাহজাহান, আলমগীর মেম্বার, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব জমির উদ্দীন, দক্ষিণ জেলার সাবেক আহবায়ক সাইফুদ্দিন সালাম মিটু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক রবিউল হোসেন রবি, সদস্য সচিব সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, তরুণ দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলার সভাপতি সোহেল ,দক্ষিণ জেলা ছাত্রনেতা তারেক রহমান, পটিয়া পৌরসভা ছাত্রদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম রাজু, মোঃ ইব্রাহিম মির্জা, পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মারুফ,সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজিম, জলিল মেম্বার, অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দীন ও পটিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এস. এম. সুমন। এসময় ইদ্রিস মিয়া বলেন, কোন ষড়যন্ত্র অপপ্রচার সহ্য করা হবে না, দলকে শক্তি শালী সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, তারেক জিয়াকে ক্ষমতাই আনার জন্য যা যা প্রয়োজন তাই করা হবে।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।
Waterproof mobile Cover 01830 393439
শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।
যোগাযোগ ০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯
কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।
Waterproof mobile Cover 01830 393439
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।
এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।
Waterproof mobile Cover 01830 393439
সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।
আপনার মতামত লিখুন