খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

তোপের মুখে ইসি, প্রশাসন

প্রথম সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ
তোপের মুখে ইসি, প্রশাসন

ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন (ইসি), প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত জোটের শরিক এনসিপিসহ কয়েকটি দলও অভিযোগ করছে।

বিজ্ঞাপনের জন্য কল করুন

গত ২৫ বছরে বিএনপি ও জামায়াত জোট করে তিনটি নির্বাচন করলেও এবার আওয়ামী লীগশূন্য মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে ভোটে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে বিদ্ধ করছে।

গতকাল রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে অভিযোগ করেছেন, ইসির কিছু কর্মকর্তা একটি দলের পক্ষে কাজ করছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ প্রশাসন ও পুলিশের কিছু কর্মকর্তা একটি দলের প্রতি ন্যক্কারজনকভাবে কাজ করছেন।

ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে আগের দিন শনিবার বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ‘বলতে যদিও কষ্ট হচ্ছে, তবে আমরা দেখেছি নির্বাচন কমিশন সাম্প্রতিক কিছু বিতর্কিত ভূমিকা, কিছু বিতর্কিত অবস্থান নিয়েছে। তার পরও একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা ধৈর্যের পরিচয় দিতে চাই।’

গত কাল সন্ধ্যায় যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতে জামায়াত অভিযোগ করেছে, ইসি পক্ষপাত করছে। দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেছেন, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে ইসি পক্ষপাত করছে। প্রশাসন একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে জামায়াত পাল্টা অভিযোগ করেছে, তারেক রহমানের নিরাপত্তার নামে সরকার বাড়াবাড়ি করছে। দলটি দাবি জানিয়েছে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের জন্য জামায়াত আমিরকে তারেক রহমানের সমান নিরাপত্তা ও সুবিধা দিতে হবে।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক এনসিপিও ইসি ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব ছেড়ে দলটির মুখপাত্র পদে আসা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া গতকাল নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে অংশ নেন। তিনি বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে অভিযোগ বলেছেন, একটি দলের মহাসচিবের সঙ্গে ইসি বৈঠকের পর ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতা বৈধ করেছে। ইসি এভাবে পক্ষপাত করলে এনসিপি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা, তা ভাবতে হবে।

এনসিপির অভিযোগ, ঢাকা-১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম বিদেশি নাগরিক। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশন তাঁর প্রার্থিতা বহাল রেখেছেন।

প্রশাসন ও উপদেষ্টা বিরুদ্ধে অভিযোগ জামায়াতের :

সন্ধ্যা ৭টার দিকে যমুনায় যান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। সরকারপ্রধানের সঙ্গে ঘণ্টাখানেকের বৈঠকের পর তিনি বেরিয়ে যান। দলটির নেতারা জানান, বৈঠকে উপদেষ্টা, নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের ‘পক্ষপাতের’ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে জানিয়েছেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আবদুল্লাহ তাহের অভিযোগ করেছেন ইসি, প্রশাসন, পুলিশ ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে গভীর সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি লঙ্ঘিত হলে এর দায় এড়াতে পারবে না ইসি।

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর জামায়াতের নায়েবে আমির বলেছেন, সারাদেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতিত্ব স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকর্তার তালিকা করা হচ্ছে।

 

প্রশাসন নিয়ে অভিযোগ বিএনপির: 

নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মকর্তা একটি দলের হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। ওই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সিইসিকে বলেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল। বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কিছু সিনিয়র কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তারা একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করছেন। আমরা সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছি।’

মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ইসি অনেক ক্ষেত্রেই পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে বলে বিএনপি মনে করে। এসব বিষয়েও সিইসিকে জানানো হয়েছে। বিএনপি চায়, ইসি যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।

মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন,  বিভিন্ন এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা একটি দলের পক্ষে কিছু ন্যক্কারজনক কাজ করছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। সে বিষয়গুলো সিইসিকে জানিয়েছি। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে তদন্তপূর্বক তাদের প্রত্যাহার করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।