খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে মেট্রোরেল-মনোরেল বিতর্ক: কোনোটিই এখন বাস্তবসম্মত নয়, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

বাবুল , চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে মেট্রোরেল-মনোরেল বিতর্ক: কোনোটিই এখন বাস্তবসম্মত নয়, বলছেন বিশেষজ্ঞরা

চট্টগ্রামের বিদ্যমান ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারণে নতুন করে মেট্রোরেলের পিলার ও স্টেশন নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কি না, সেটিই বড় প্রশ্ন।

চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে মেট্রোরেল ও মনোরেল নির্মাণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেও পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বাস্তবতায় এ দুই প্রকল্পের কোনোটিই নগরীর জন্য অগ্রাধিকার হওয়া উচিত নয়। তাদের মতে, ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্পের পরিবর্তে কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিকাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব।

যোগাযোগ ০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার জন্য পরিবহন মহাপরিকল্পনা (মাস্টারপ্ল্যান) প্রণয়নের কাজ করছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। এ সময় সরকার মেট্রোরেলের সম্ভাবনা যাচাইয়ের দিকে এগোলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
ডিটিসিএ সূত্র জানায়, ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এরিয়ার জন্য ট্রান্সপোর্ট মাস্টার প্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর আরবান মেট্রোরেল ট্রানজিট’ প্রকল্পের আওতায় নগরীর যানজট হ্রাস, পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ পরিবহন চাহিদা নিরূপণের কাজ চলছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (কোইকা) দিচ্ছে ৫৭ কোটি টাকা। বর্তমানে প্রকল্পের আর্থিক অগ্রগতি প্রায় ৪৫ শতাংশ এবং কাজের অগ্রগতি ৫০ শতাংশ।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম সফর শেষে ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক ড. মো. মশিউর রহমান জানান, যাত্রী চাহিদা ও ট্রাফিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত সুপারিশমালা জমা দেওয়া হবে। চাহিদা বেশি হলে মেট্রোরেল, মাঝারি হলে লাইট রেল ট্রানজিট (এলআরটি) এবং কম হলে মনোরেলের সম্ভাবনা বিবেচনা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন করে পরবর্তী বছরেই কাজ শুরুর লক্ষ্য রয়েছে। চসিকের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তিনটি রুটে মনোরেল নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা, যার অর্থায়ন করবে বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
তবে ডিটিসিএর প্রকল্প পরিচালক ও ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার মীর মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, চট্টগ্রামের দীর্ঘমেয়াদি পরিবহন চাহিদা বিবেচনায় মেট্রোরেলই বেশি কার্যকর। মনোরেলের যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা মেট্রোরেলের তুলনায় প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। তবে এটি ফিডার সার্ভিস হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
এদিকে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে, যাতে এটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক হওয়ার পাশাপাশি চট্টগ্রামের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
তবে পুরো বিষয়টিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সহসভাপতি প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া। তিনি বলেন,  ঢাকায় বিআরটি প্রকল্পসহ বিভিন্ন উদ্যোগ কাঙ্ক্ষিত সফলতা পায়নি। যারা রাজধানীর যানজট কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি, তারা চট্টগ্রামে এসে মেট্রোরেলের নামে নতুন সমাধান দেবে এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।

যোগোযোগ: ০১৮৩০৩৯৩৪৩৯

তার মতে, চট্টগ্রামের বিদ্যমান ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারণে নতুন করে মেট্রোরেলের পিলার ও স্টেশন নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে কি না, সেটিও বড় প্রশ্ন। তিনি আরও বলেন, “সাধারণ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন উন্নয়ন এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে চট্টগ্রামের ৮০ শতাংশ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদারও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রকৃত প্রয়োজন ও অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা যাচাইয়ের আগেই মেগা প্রকল্পের ধারণা সামনে আনা হচ্ছে। আগে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, লেন শৃঙ্খলা, পথচারী সুবিধা এবং বাস সার্ভিসের মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন,  একই সড়কে ধীরগতির ও দ্রুতগতির যানবাহন, রিকশা, ঠেলাগাড়ি এবং পথচারীদের চলাচল বর্তমান ব্যবস্থার বড় দুর্বলতা। এসব মৌলিক সমস্যা সমাধান না করে সরাসরি ব্যয়বহুল প্রকল্পে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই।
বিশেষজ্ঞদের অভিমত, প্রযুক্তিগতভাবে মেট্রোরেল কিংবা মনোরেল নির্মাণ সম্ভব হলেও মূল প্রশ্ন হলো—এসব প্রকল্প চট্টগ্রামের জন্য অর্থনৈতিকভাবে টেকসই, ব্যবহারযোগ্য এবং নগরবাসীর প্রকৃত প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে কি না। সেই উত্তর খুঁজে পাওয়ার আগেই মেগা প্রকল্প নিয়ে প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা শুরু হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

মোঃ কামাল হোসেন , নরসিংদী।
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ ইং পালন করা হয়েছে। অদ্য ১ নভেম্বর ২০২৬ ইং রবিবার সকাল ১১টা সময় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস এর আয়োজনে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় । শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে অন্যান্য দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহসিনা জাহান তোরণ,উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র সরদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আলতাফ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম,যুব সংগঠক আলমগীর হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়ন এর রাজারটেক ও কামরাবো বাজার এলাকায় কৃষিজমির উপরিভাগ এর উর্বর মাটি (টপ সয়েল) অবৈধভাবে কর্তনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সামিউর রহমান সহকারী কমিশনার ( ভূমি) শিবপুর ।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত একটি ভেকু মেশিন জব্দ করা হয়। তবে অভিযান পরিচালনা কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হননি। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট জমির মালিককে নোটিশ প্রদানপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।