তালার এলজিইডি কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ হালদার এবং এসও মিজানের রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতি কোথায় শেষ কোথায়।
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালি ইউনিয়নের গোয়ালপোতা গ্রামের পার্শ্ববর্তী বড়গাছায় ২.৫ কিলোমিটার রাস্তাটিতে তালা উপজেলার এলজিইডি কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ হালদার এবং এস ও মিজানের সহযোগিতায় রাস্তায় ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে ঈদুল আযহার লম্বা ছুটিকে কাজে লাগিয়ে গত (২৬শে মে মঙ্গলবার) বড়গাছার ২.৫ কিলোমিটার রাস্তাটিতে আস্ত ইটের উপর রুলার দিয়ে মেকাডাম তৈরি করা হচ্ছে।

উক্ত সময়ে কাজের সাইডে থাকা সাব কনট্রাক্টর পলাশের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন কথার উত্তর না দিয়েই সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে কথা বলতে থাকেন এবং এলজিইডি কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ হালদারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন,
এ সময় রথীন্দ্রনাথ হালদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি কাজটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং এস ও মিজানের সঙ্গে কথা বললে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে অসৎ হুমকিস্বরূপ কথা বলেন।
রথীন্দ্রনাথ হালদার কাজটি বন্ধ করার কথা বললেও কাজকে বন্ধ না করে উক্ত ওই সময় থেকেই ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বাকি কাজ করে শেষ করেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিকরা বারবার প্রতিবেদন করলেও সাগর চুরি দুর্নীতির কাছে অসহায় সাংবাদিকরা।
তালা উপজেলা প্রশাসন, সাতক্ষীরা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী, উপজেলা প্রকৌশলী, এস ও মিজানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বারবার নক করার পরও থেমে নেই কার্যক্রম।
নিম্নমানের ইট দিয়ে তৈরি হচ্ছে রাস্তা ফলে এলাকার জনসাধারণ সহ পথচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজন বলেন এ ইট গুলি দুই তিন নাম্বার নয় এগুলি ভাটা কোড়ানো বাজে পচাইট, এবং স্থানীয় লোকজন আরো বলেন এই কাজের প্রথমে হেজিং এ ও নিম্নমানের খারাপ ইট ব্যবহার করেছে আমরা প্রতিবাদ করলেও তারা আমাদের পাত্তাই দেয়নি।

তাৎক্ষণিক আবারো তালা উপজেলা প্রকৌশলী রথীন্দ্র নাথ হালদারকে ভিডিও প্রমাণসহ অবহিত করা হলে তিনি কাজটি আবারো বন্ধ করে দেয়া হবে বলে আশ্বাস প্রদান করলেও থেমে নেই কার্যক্রম।
ঘটনা স্থান থেকে জানা যায় এই কাজটির মূল ঠিকাদার ছিলেন পিস্তল সোহেল কিন্তু কিছু টাকা লাভের বিনিময়ে কাজটি বিক্রয় করে দেন ঠিকাদার ইকবাল জমাদারের কাছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদার ইকবাল জমাদারের ফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেন নাই।
কিন্তু বর্তমান সার্বিক দায়িত্বে থাকা তালা উপজেলার এস ও মিজানকে এই কাজটির তথ্য দিতে বলায় এবং নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করছে কেন এ বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ হুমকিস্বরে কথা বলেন।
জানা যায় তিনি ইকবাল জমাদার ঠিকাদারের সাথে যে কোন ভাবেই কাজটি উঠায় দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

উক্ত ঘটনা সম্পর্কে তাৎক্ষনিক তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণাকে ঘটনাস্থল থেকেই বারবার হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও ফুটেজ ছবি দিয়ে অবহিত করা হলেও তিনি এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি,
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী এ এস এম তরিকুল হাসান খানকে জানানোর পরেও কাজটির কোন সুরাও হয়নি।
বরং কাজটি ঠিক পূর্বের মতোই তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের ইট দিয়া দ্রুত শেষ করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে ।


আপনার মতামত লিখুন