উপজেলা যুবদলের নেতা ইঞ্জি.রাজুর হত্যা চেষ্টার ১নং আসামী আলমগীর খোকন গ্রেপ্তার
যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার যুবদলের যুগ্ন আহ্বায়ক ইঞ্জি. রাজু আহাম্মেদ এর ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয় গত বছরের ১৯ ই জুলাই ২০২৫ , পাতিবিলা বাজারে তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস কর্পোরেশন বসে মানুষের সাথে কথা বলছিলেন এলাকার চাঁদাবাজি,সরকারী গাছ কাটা, সরকারী মাটি বালি উত্তোলনে বাধা দেওয়াই পরিকল্পিত ভাবে বিএনপি নেতা খায়রুল এর নেতৃত্বে মাদক বাবসায়ী আলমগীর খোকন রাজুর প্রতিষ্ঠানে ধারালো দেশীয় অস্ত্র রামদা পাইপ রড নিয়ে হামলা করে যার ভিডিও ফুটেজ আছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে জানা যায় আলমগীর রামদা হাতে ও সাথে বোম নিয়ে খাইরুল রড নিয়ে , মুন্না রামদা মফেজ রড হাতে, জুয়েল রামদা হাতে, আলম , জাহিদ , মনিরুল পাইপ নিয়ে দোকান ভাংচুর করে যা ভিডিও ফুটেজ থেকে জানা গেছে, আলমগীরের হামলায় রাজু সামান্যর জনো বেঁচে গেলেও ইসলাম ও হুমায়ুন নামের ২ ব্যক্তি রামদার আঘাতে একজন মাথায় কোপ লাগে ও আর একজনের পায়ে কোপ লাগে মুন্না ও জুয়েল , মফেজ এবং আলমের আঘাতে আজাদ, ফন্টু, রফিকুল আর ও অনেকে গুরুতর জখম হয়, সাথে সাথে তাদের সবাইকে চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, ইসলামের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মাথায় সেলাই করে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় এখনও ইসলাম পরিপূর্ণ সুস্থ হতে পারেনাই।
পরের দিন ২০ ই জুলাই ইঞ্জি. রাজু নিজে বাদি হয়ে চৌগাছা থানাতে মামলা দায়ের করেন, ১ নং আসামী আলমগীর খোকন পরের দিন আবারও রাজু দোকানে গিয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন যার ভিডিও ফুটেজ আদালতে সংরক্ষিত আছে।
খায়রুল বিএনপির দলীয় প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মানুষকে মানুষ হিসেবে গণ্য করে না, এলাকাবাসি দাবি এমন অযোগ্য অশিক্ষিত মানুষকে কিভাবে বিএনপি পদ দিলো? চৌগাছা বিএনপির কোনও সিনিয়র নেতার গোনার সময় তার নাই , হামলাকারী আলমগীর খোকন খায়রুলের আপন ফুফাতো ভাই সে অন্য গ্রামের বাসিন্দা হলেও খায়রুলের জন্য পাতিবিলা ডিভাইন বাড়িতে বসবাস করে।
মামলার আয়ও এস আই মারুফুল ইসলাম সরজমিনে তদন্ত করে ১ মাসের মধ্যে আদালতে উক্ত আসামীদের নামে চার্জশিট দাখিল করেন , তখনকার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সেট কোথা বলে সত্যতা পাওয়া গেছে, থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন আলমগীর পোলাটা খুব খারাপ পোলা ওর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আছে থানাতে।

এলাকার একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন খায়রুল এর কোনও আয় রোজগার নাই সে সকাল হলে বাজারে এসে যাকে তাঁকে মা বাপ তুলে গালিগালাজ করে ভয় ভীতি দেখাতো তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতো না , তার বাহিনী নিয়ে এলাকায় মাদকের রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে, খায়রুল কথায় কথাই বলে চৌগাছার সব থানা পুলিশ আমার পকেটে কেউ কিছু করার ক্ষমতা নাই।
আর একজন নাম না প্রকাশ করার শর্তে, আলমগীরের কাছে ১টা পিস্তল ও ১ পিচ গুলি আছে ওটার জন্য সবাই ভয় পায়।
বাজারের বিভিন্ন চায়ের দোকানে খায়রুল ও তার লোকজন বলেন চৌগাছা বিএনপির কোনো নেতা গোনার সময় আমাদের নায়। হিন্দু পরিবার গুলা আজ অতিষ্ট এই চাদা বাজ বাহিনী দারা । এদের সারা দিন কোনও কাজ নাই রাত হলে যত অপকর্ম আছে সব কিছু করে বেড়াই।
এমনকি মাদক এর পাশাপাশি সরকারি রাস্তার গাছ কাটা মানুষ কে ভয় ভীতি দেখিয়ে চাদা আদায় করা, নিরীহ হাজারের বালি বাবশায়ী দের কাছে মাসিক হারে অর্থ আদায় এর জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।

গত কাল ১০ ই এপ্রিল ২৬ হত্যা মামলার ১ নং আসামী আলমগীর খোকন কে চৌগাছা থানার সাহসী ও পুরস্কার প্রাপ্ত এস আই শান্ত চৌগাছা বাজার থেকে এলাকার সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারকারী চক্রের মূল হোতা আলমগীরকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করে। পরে কোর্ট জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেন।
এলাকা বাসি বলছেন আলমগীর এবং খায়রুল হুমকি দিচ্ছেন জেল থেকে বেরিয়ে রাজু সহ আর ৩/৪ জনকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছেন , কিন্তু এলাকা বাসি এই সব সন্ত্রাসীর হাত থেকে মুক্তি চাই ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানাই আমাদের কাছে। প্রশাসনের সু দৃষ্টি কামনা রইলো।



আপনার মতামত লিখুন