খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

যশোর-৬ আসন পুনরুদ্ধারে জামায়তের থেকে বিএনপি এগিয়ে

হাফিজুর রহমান (কেশবপুর ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২১ অপরাহ্ণ
যশোর-৬ আসন পুনরুদ্ধারে জামায়তের থেকে বিএনপি এগিয়ে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতায় মাঠে থাকলেও মূল লড়াই হবে ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা প্রতীকের মধ্যে। এ আসনটি পুনরুদ্ধারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সুকৌশলে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মোক্তার আলী জয়ী হতে নানান কৌশলী ভ’মিকা নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত চারটি সংসদ নির্বাচনে একবার বিএনপি, জামায়াত একবার ও একটানা  দুই বার  আওয়ামীলীগের প্রার্থী এ আসনের এমপি নির্বাচিত হন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী কাল বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি  অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। আর মাত্র ১ দিন বাকী। প্রার্থীরা নিজ নিজ নেতা-কর্মীদের নিয়ে উঠান বৈঠক ও কর্মিসভার মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে এ আসনটি থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির জিএম হাসান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা) ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মাহমুদ হাসান (ঈগল) এক অপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে সচেতন ভোটারদের দাবি ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের দিক থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অনেক এগিয়ে রয়েছেন। তাদের ধারনা এ আসনটি পুনরুদ্ধারে জামায়তের থেকে বিএনপি অনেক এগিয়ে।

বিজ্ঞাপন

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, যশোর-৬ (কেশবপুর) ১ টি পৌরসভা ও ১১ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৯’হাজার ১’শ ৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ১৩ হাজার ১৩৪ জন ও মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ১৩ হাজার ২”শ ৮৭ জন, তৃতীয় লিঙ্গ ২ জন ও পোস্টাল ভোটার ২”হাজার ৭”শ ৪০ জন। ৮১টি কেন্দ্রে এ ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে।
সচেতন ভোটাররা বলছেন, নির্দলীয় তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয় আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীরা। প্রাপ্ত ভোটের হিসাব অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থীর থেকে বিএনপির প্রার্থী ভোট পান বেশী। ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোটের প্রধান শরিক জামায়াত ইসলামী ৩০০ আসনে জোটগত ভাবে অংশগ্রহণ করে।

ধানের শীষে ভোট দিন

এর মধ্যে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হন জামায়াতের এডভোকেট গাজী এনামুল হক ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৪ দলীয় জোটের প্রার্থী হন বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ। ২০০১ সালের নির্বাচনে ৪দলীয় জোট (জামায়াত) প্রার্থী এডভোকেট গাজী এনামুল হক ১০,৭৯০ ভোট পান ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৪ দলীয় জোটের ( বিএনপি ) প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ পান ১,২২,২৮৭ ভোট। এতেই অনেকটা অনুমান করা যায় আসন্ন  ত্রযয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে হবেন যশোর-৬ আসনের এমপি। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের  নির্বাচনে ১,২৭,৬৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রযয়োগ করেন। তার মধ্যে ৪ দলীয় জোট প্রার্থী এডভোকেট কাজী এনামুল হক পান শতকরা ৮’৪৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান শতকরা ৪৪’৪৫ ভোট। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে ২,৯৩,১৪১ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রযয়োগ করেন । তার মধ্যে ৪ দলীয় জোট প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ পান শতকরা ৪১’ ৭২ ভোট। এছাড়া, জোট ১১৯৬ সালের  ১২ জুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের এ এসএইচ কে সাদেক ৩৫,২৯৩ ভোট পেয়ে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন।এ নির্বাচনে তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান ৩০,৬০৯ ভোট। জাতীয় পার্টির জিএম এরশাদ ১৮,১৮০ ভোট, জামায়াতে ইসলামীর মোক্তার আলী ১৬,৩০৯ ভোট, জাকের পার্টির জাহঙ্গীর কবির ২৪৮ ভোট পান। এ নির্বাচনে ১,০১,৭১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োাগ করেন। তার মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান শতকরা ৩০ ভোট। জামায়াতের মোক্তার আলী পান শতকরা ১৬ ভোট।

বিজ্ঞাপনের জন্য কল করুন

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১৯৭৩ সালে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের বর্তমান প্রেসিডিয়াম সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য। ১৯৭৯ সালে শুধু কেশবপুরকে নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন যশোর-৬ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হন গাজী এরশাদ আলী। ১৯৮৬ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি আব্দুল হালিম বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চাকা মার্কা নিয়ে বিজয়ী হন। ১৯৮৮ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের। এরপর ১৯৯১ সালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দল বদল করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পুনরায় বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জুনে সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের এএসএইচকে সাদেক। ২০০১ সালের নির্বাচনেও তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে ফের সীমানা পরিবর্তন হলে (কেশবপুর, অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়ন) সংসদীয় আসন-৬ থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন অভয়নগরের অধ্যক্ষ শেখ আব্দুল ওহাব।

সরেজমিন পৌরসভাসহ উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ঘুরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা হলে তাঁরা জানান, নির্দলীয় তত্ববধায়ক সরকারের অধীনে সর্বশেষ ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলী মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হলেও প্রাপ্ত ভোটের হিসাব অনুযায়ী জামায়াতের প্রার্থীর থেকে বিএনপির প্রার্থী ভোট পান বেশী। ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোটের প্রধান শরিক জামায়াত ইসলামী ৩০০ আসনে জোটগত ভাবে অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে ২০০১ সালের ১ অক্টোবরের  নির্বাচনে ১,২৭,৬৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তার মধ্যে ৪ দলীয় জোট প্রার্থী এডভোকেট কাজী এনামুল হক পান শতকরা ৮’৪৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান শতকরা ৪৪’৪৫ ভোট। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে ২,৯৩,১৪১ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন । তার মধ্যে ৪ দলীয় জোট প্রার্থী আলহাজ্ব আবুল হোসেন আজাদ পান শতকরা ৪১’ ৭২ ভোট। এছাড়া, ১১৯৬ সালের  ১২ জুন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের এ এসএইচ কে সাদেক ৩৫,২৯৩ ভোট পেয়ে এ আসনে এমপি নির্বাচিত হন।এ নির্বাচনে তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান ৩০,৬০৯ ভোট। জাতীয় পার্টির জিএম এরশাদ ১৮,১৮০ ভোট, জামায়াতে ইসলামীর মোক্তার আলী ১৬,৩০৯ ভোট, জাকের পার্টির জাহঙ্গীর কবির ২৪৮ ভোট পান। এ নির্বাচনে ১,০১,৭১৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োাগ করেন। তার মধ্যে বিএনপির প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন পান শতকরা ৩০ ভোট। জামায়াতের মোক্তার আলী পান শতকরা ১৬ ভোট।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।