খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

কুরআন সফত ও মোবাইল ফোন নাম্বার না দেওয়ায়

যশোরের চৌগাছাতে জামাত নেতার হাতে বিএনপি কর্মী আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
যশোরের চৌগাছাতে জামাত নেতার হাতে বিএনপি কর্মী আহত

যশোরের চৌগাছা উপজেলার জামাত নেতার হাতে বিএনপি কর্মী আহত।

যশোরের চৌগাছা উপজেলার ০৭ নম্বর পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের ০১ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীকে মারধর করেন জামাতের উপজেলা র নেতা গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে


জামাতের মহিলা কর্মীদের কে কুরআন শরীফ এর সফত করানো, ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করতে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এলাকা সূত্রে জানাযাই, উপজেলা জামাতের আমীর মাওলানা গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে,নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুজ্জামান, নুরুল মাওলানা,নিয়ামতপুরের মন্টু,  আওয়ামীলীগের শওকত গ্রাম্য ডাক্তার, সে এখন জামাত করে, বড় নিয়ামতপুরের নুরইসলাম রাজমিস্ত্রির ছোট ভাই আমিরুল সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ৬৫-৭৫ জন নেতা কর্মী নিয়ামতপুর গ্রামে যান।

মুক্তার হোসেন বলেন , আমার কোনও অপরাধ নাই গত কাল ( ২৭ জানুয়ারী) প্রায় ১২ টার সময় জামাতের কুরআন শরীফ হাতে ১০-১৫ জন মহিলা কর্মী আমার বাড়ির পাশে এসে ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর নিতে চাইলে আমি তাদের বলি এটা কেন দেবো, তখন ওরা বলে দেন কোনও সমস্যা নেই, তখন আমি বলি সমস্যা তো আছে বয়স তো কম হলোনা ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার দেবোনা , এটা কোনও ভোটে কেউ চাইনা, ওই মহিলা কর্মী আমাকে বলে আপনি বেশি বোঝেন, ওই সময় আমি তাদের কে বলি তোমাদের স্বামীর ভাত রান্না না করে এই সব করে বেড়াচ্ছ,কারণ ওই সময় হলো দুপুরের খাওয়া সময়,আমি কিছুই দেবোনা। বলে আমি মাঠে চলে যাই পরে মাঠ থেকে ফিরে দেখি গোলাম মোর্শেদ সহ তার গুন্ডা বাহিনী আমাকে ও ভোলা চাচা এবং লোকমান চাচাকে খুঁজতাছে

আমি নিজেই ওদের কাছে যাই এবং সঠিক টা বলার চেষ্টা করি কিন্তু আমার কোনও কোথা না শুনে গোলাম মোর্শেদ আমাকে হাত পা কেটে ও পুলিশে দেবার এমনকি মেরে ফেলার হুমকি দেয় আর ভোলা চাচাকে, আমার চাচা লোকমান, এবং হানেফ কে মারতে গেলে দৌড়ে পালায় এ যাই কিন্তু আমি পালাই নাই এবং সত্য ঘটনা বলার চেষ্টা করলে কোনও কথা না শুনে আমাকে মারধর শুরু করেন জামাত নেতা আমিরুল ।

আমিরুল ইসলাম পিতা: আব্দুল আলিম, গ্রাম: নিয়ামতপুর ,সে উপজেলা জামাতের আমীর গোলাম মোর্শেদ এর হুকুমে একই গ্রামের আমসার আলীর ছেলে মুক্তার হুসাইন কে মারধর করেন আমিরুল নামের জামাত ইসলামীর নেতা।

এমনকি গোলাম মোর্শেদ এর মতো মানুষ আমাদের বিএনপি নেতা কর্মী দেরকে মেরে ফেলবে বলে বার বার বলতে থাকে এবং বলে আমাদের কোনও বাপ নাই যে আমাদের রক্ষা করে।

জামতের মহিলা কর্মীরা কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওয়াদা করাচ্ছেন , ভোটার আইডি ও মোবাইল ফোন নাম্বার ও নিচ্ছেন

গোলাম মোর্শেদ অকথ্য খারাপ ভাষায় গালি গালাজ করে এমনকি বলা নায়েম, ভোলা, মুক্তার , সাগর নামের বিএনপির কর্মীকে হাত কেটে নেওয়া, ও প্রাণনাশের  বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করেন।

জামায়াতের উপজেলা আমীর গোলাম মোর্শেদ ও নায়েবে আমীর নুরুজ্জামান তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সমগ্র উপজেলা সন্ত্রাসী রাজত্ব কয়েম করছে, যেকোনো ইউনিয়ন এ গিয়া মানুষকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে এই গোলাম মোর্শেদ বাহিনী, তারমত এমন সন্ত্রাসীকে কিভাবে জামাতের মতো একটা দল এত বড় পদ দিলো

কথিত আছে জামাতের এই নেতা র নামে তার রাজনৈতিক জীবন থেকেই তিনি একজন বিতর্কিত মানুষ, তিনি সবার সাথেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। উপজেলা বাসি এই মোর্শেদ কে অপছন্দ করেন মন থেকে।

জামাতের নেতা নুরুল মাওলানার কাছে জানতে চাইলে বলেন এটা একটা ভুল বুঝা বুঝি এটা মীমাংসা হয়ে গেছে।

চৌগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করেননি, অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

উপজেলার বিএনপি নেতৃবৃন্দ সরব ভূমিকা বলে জানা গেছে।কিন্তু কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজো মান আছে ।বিএনপির নেতা জহুরুল ইসলামের গ্রামের ঘটনা সুতরাং তিনি এটা মৌখিক ভাবে মীমাংসা করেছেন।

এলাকার মানুষ জামাতের এই কর্ম কান্ডতে হতাশা প্রকাশ করেন ।

 

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।