কুরআন সফত ও মোবাইল ফোন নাম্বার না দেওয়ায়
যশোরের চৌগাছাতে জামাত নেতার হাতে বিএনপি কর্মী আহত
যশোরের চৌগাছা উপজেলার জামাত নেতার হাতে বিএনপি কর্মী আহত।
যশোরের চৌগাছা উপজেলার ০৭ নম্বর পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের ০১ নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মীকে মারধর করেন জামাতের উপজেলা র নেতা গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে

জামাতের মহিলা কর্মীদের কে কুরআন শরীফ এর সফত করানো, ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করতে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকা সূত্রে জানাযাই, উপজেলা জামাতের আমীর মাওলানা গোলাম মোর্শেদ এর নেতৃত্বে,নায়েবে আমীর মাওলানা নুরুজ্জামান, নুরুল মাওলানা,নিয়ামতপুরের মন্টু, আওয়ামীলীগের শওকত গ্রাম্য ডাক্তার, সে এখন জামাত করে, বড় নিয়ামতপুরের নুরইসলাম রাজমিস্ত্রির ছোট ভাই আমিরুল সহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের ৬৫-৭৫ জন নেতা কর্মী নিয়ামতপুর গ্রামে যান।
মুক্তার হোসেন বলেন , আমার কোনও অপরাধ নাই গত কাল ( ২৭ জানুয়ারী) প্রায় ১২ টার সময় জামাতের কুরআন শরীফ হাতে ১০-১৫ জন মহিলা কর্মী আমার বাড়ির পাশে এসে ভোটার আইডি ও মোবাইল নম্বর নিতে চাইলে আমি তাদের বলি এটা কেন দেবো, তখন ওরা বলে দেন কোনও সমস্যা নেই, তখন আমি বলি সমস্যা তো আছে বয়স তো কম হলোনা ভোটার আইডি ও মোবাইল নাম্বার দেবোনা , এটা কোনও ভোটে কেউ চাইনা, ওই মহিলা কর্মী আমাকে বলে আপনি বেশি বোঝেন, ওই সময় আমি তাদের কে বলি তোমাদের স্বামীর ভাত রান্না না করে এই সব করে বেড়াচ্ছ,কারণ ওই সময় হলো দুপুরের খাওয়া সময়,আমি কিছুই দেবোনা। বলে আমি মাঠে চলে যাই পরে মাঠ থেকে ফিরে দেখি গোলাম মোর্শেদ সহ তার গুন্ডা বাহিনী আমাকে ও ভোলা চাচা এবং লোকমান চাচাকে খুঁজতাছে

আমি নিজেই ওদের কাছে যাই এবং সঠিক টা বলার চেষ্টা করি কিন্তু আমার কোনও কোথা না শুনে গোলাম মোর্শেদ আমাকে হাত পা কেটে ও পুলিশে দেবার এমনকি মেরে ফেলার হুমকি দেয় আর ভোলা চাচাকে, আমার চাচা লোকমান, এবং হানেফ কে মারতে গেলে দৌড়ে পালায় এ যাই কিন্তু আমি পালাই নাই এবং সত্য ঘটনা বলার চেষ্টা করলে কোনও কথা না শুনে আমাকে মারধর শুরু করেন জামাত নেতা আমিরুল ।
আমিরুল ইসলাম পিতা: আব্দুল আলিম, গ্রাম: নিয়ামতপুর ,সে উপজেলা জামাতের আমীর গোলাম মোর্শেদ এর হুকুমে একই গ্রামের আমসার আলীর ছেলে মুক্তার হুসাইন কে মারধর করেন আমিরুল নামের জামাত ইসলামীর নেতা।
এমনকি গোলাম মোর্শেদ এর মতো মানুষ আমাদের বিএনপি নেতা কর্মী দেরকে মেরে ফেলবে বলে বার বার বলতে থাকে এবং বলে আমাদের কোনও বাপ নাই যে আমাদের রক্ষা করে।
জামতের মহিলা কর্মীরা কুরআন শরীফ হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওয়াদা করাচ্ছেন , ভোটার আইডি ও মোবাইল ফোন নাম্বার ও নিচ্ছেন

গোলাম মোর্শেদ অকথ্য খারাপ ভাষায় গালি গালাজ করে এমনকি বলা নায়েম, ভোলা, মুক্তার , সাগর নামের বিএনপির কর্মীকে হাত কেটে নেওয়া, ও প্রাণনাশের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করেন।
জামায়াতের উপজেলা আমীর গোলাম মোর্শেদ ও নায়েবে আমীর নুরুজ্জামান তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সমগ্র উপজেলা সন্ত্রাসী রাজত্ব কয়েম করছে, যেকোনো ইউনিয়ন এ গিয়া মানুষকে হুমকি ধমকি দিচ্ছে এই গোলাম মোর্শেদ বাহিনী, তারমত এমন সন্ত্রাসীকে কিভাবে জামাতের মতো একটা দল এত বড় পদ দিলো
কথিত আছে জামাতের এই নেতা র নামে তার রাজনৈতিক জীবন থেকেই তিনি একজন বিতর্কিত মানুষ, তিনি সবার সাথেই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। উপজেলা বাসি এই মোর্শেদ কে অপছন্দ করেন মন থেকে।
জামাতের নেতা নুরুল মাওলানার কাছে জানতে চাইলে বলেন এটা একটা ভুল বুঝা বুঝি এটা মীমাংসা হয়ে গেছে।
চৌগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও কেউ আমাদের কাছে অভিযোগ করেননি, অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।
উপজেলার বিএনপি নেতৃবৃন্দ সরব ভূমিকা বলে জানা গেছে।কিন্তু কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজো মান আছে ।বিএনপির নেতা জহুরুল ইসলামের গ্রামের ঘটনা সুতরাং তিনি এটা মৌখিক ভাবে মীমাংসা করেছেন।
এলাকার মানুষ জামাতের এই কর্ম কান্ডতে হতাশা প্রকাশ করেন ।

কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন