বদরগঞ্জ পুলিশ কর্তৃক ভিত্তিহীন ও গায়েবী মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
বদরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক ভিত্তিহীন মামলা করায় ব্যবসায়ী আকরাম সরকার ১৭ই নভেম্বর বেলা ৩টায় যশোরের নওয়াপাড়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে উক্ত সংবাদ সম্মেলন করেন।উক্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
পুলিশ কর্তৃক প্রথম হয়রান হই পুলিশের একটি নোটিশ পাবার পর।
এই নোটিশ প্রাপ্তির পর উল্লেখিত তারিখে যথাস্থানে হাজিরা দিতে গেলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ আমাকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।এরপর ৩৬ দিন হাজত বাসের পর জামিনে মুক্ত হই।শুধু তাই নয়!জেল হাজতে থাকার সময় আবার ৩দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয় আমাকে।
এদিকে সম্প্রতি অতি উৎসাহী হয়ে বদরগঞ্জ থানা পুলিশ গত ১২ই নভেম্বর রংপুরের বদরগঞ্জ থানায়
সন্ত্রাসবিরোধী আইনে
আমাকে জড়িয়ে কোন তদন্ত ছাড়াই নাশকতার একটি মামলা রেকর্ড করে।বদরগঞ্জ থানার এসআই আবু বকর সিদ্দিক বাদি হয়ে এই ভিত্তিহীন মামলাটি করেন।
উল্লেখ্য,গত ৬ই নভেম্বর পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশন হতে সীমান্ত ট্রেন যোগে আমার ব্যবসায়িক কর্মস্থল যশোরের নওপাড়ায় আসি।তখন থেকে আজ অবধি এখানেই আছি।এর মধ্যে থানা সূত্রে জানতে পারি,১২ই নভেম্বর সন্ধ্যায় নাশকতার মামলায় আমাকে জড়িয়ে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।পুলিশের এই গায়েবী- ভিত্তিহীন মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তৎকালীন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী আনিসুল হক চৌধুরী কোন কারণ ছাড়াই ১৯৯৮ সালে যুবলীগ থেকে আমাকে বহিষ্কার করেন।আর তখন থেকেই স্বৈরাচারি-ফ্যাসিষ্ট আওয়ামীলীগ ও তার সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠন থেকে আমি সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন,বদরগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে এমন কোন মসজিদ-মাদ্রাসা নেই যেখানে আমি আর্থিক সহায়তা করিনি।শুধু তাই নয়,কন্যাদায়গ্রস্থ পিতার পাশে দাঁড়িয়েছি।অসহায়-দরিদ্র রোগীদের নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছি।আমার কাছে সাহায্যের আশা নিয়ে এসে ফিরে গেছেন এমন মানুষের সংখ্যা নেই।বদরগঞ্জের একটি মহল আমার ব্যবসায়িক কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেই এহেন ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন।তাই আমাকে এই ভিত্তিহীন ও গায়েবি মামলায় জড়ানোয় ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি ও মোবাইল ট্রাকিং এর দাবি জানাচ্ছি।
এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শংকর দেবনাথ,মশিউর রহমান পিন্টু,জাকির হোসেন,শাহিন হোসেন,বজলু তালুকদার ও ইমরান আলি।



আপনার মতামত লিখুন