জয়া আহসানের শাড়িতে নতুণত্ব ও গল্প
আলোচিত নায়িকা জয়া আহসানের গল্প
ছবিগুলোতে যে দুটো শাড়ি দেখা যাচ্ছে, সেগুলোর বয়স ৪৫ বছর; আসলে এগুলো জয়ার মায়ের বিয়ের শাড়ি । একটা বিয়ের, একটা বৌভাতের।বাবা কিনে নিয়ে গেছিলেন কলকাতা থেকেই । সোনার সুতোয় কাজ করা এক চিরন্তন রূপকথা, এখনও ঠিক যেন নতুন নতুন বিবাহের গন্ধে ভরপুর ।

এই দুটো শাড়ি নিয়ে সেই কিশোরি বেলা থেকে আমরা দুই বোন কি কাড়াকাড়ি টাই না করেছি! বিবাদ হোক বা খুনসুটি যাই বলি না কেন, সেটা হতো কে কোনটা নেবে তাই নিয়ে! আমি বলতাম নীল টা আমার, বোনের পছন্দ ছিল টুকটুকে লাল টা! কখনও কখনও কিশোরি খেয়ালে পছন্দ যে ওলোট পালট হতো না তা নয়, পরে বুঝেছি এই দুটো শাড়ি-ই আমাদের কাছে অমূল্য সম্পদের মতো, আর তাতেই এত টান ।

মৌসুমী ভৌমিকের গানের সেই যে মরমী লাইন টা, “কিছু ফেলতে পারি না” আমার হয়েছে সেই অবস্থা ।সব কিছুর উপরেই স্নেহ, একটা অদ্ভুত মায়া। আমার মায়ের যত পুরাতন শাড়ি, মায়ের বিয়ের শাড়ি, আমার জন্মের আগে মায়ের স্বাদ ভক্ষণের শাড়ি সব রয়ে গেছে আমার কাছে । আলমারির যত্নে, ন্যাপথলিনের রূপকথায় আত্মকথার ইতিহাস। আর আমার মাতৃতান্ত্রিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মাত্র ।


এবার হঠাৎ করেই সুযোগ হলো এই দুটো শাড়ি পড়ার সুন্দর করে স্টাইলিং করে ছবিগুলো তুললাম
আশা করি সকলের পছন্দ হবে এই ফটোশ্যুট ।


কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন