ফুলবাড়ী উপজেলায় তিন টুকরো লা*শ উদ্ধার।
দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় মাথাবিহীন লা*শ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরআগে গত মঙ্গলবার নিখোঁজের পর বৃহস্পতিবার এ লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাব্বির হোসেন সবুজ উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের মৃত ইবনে সাউদ সরকারের ছেলে। এ ঘটনায় তার ভাই একটি হত্যা মামলা করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন,, কাজিহাল ইউনিয়নের পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ইমার উদ্দিনের ছেলে মো. মাহাবুর রহমান (৪০), রশিদপুর সরকারপাড়া গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে ইস্তিয়াক সরকার (৪০), পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ওবাইদুল হক সরকারের ছেলে মো. রায়হান সরকার রতন (৪৬), মিরপুর (জলেশ্বরী) গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দীনের ছেলে মো. রাশেদুজ্জামান ডালিম (৪০), একই গ্রামের মৃত আব্দুর জব্বারের ছেলে মো. আব্দুর হামেদ (৫২)।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের রশিদপুর গ্রামের ধান ক্ষেতের ডোবা থেকে সবুজের মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়। শ্যালো মেশিনের সাহায্যে রাতভর ডোবার পানি ছেঁচেও মাথা পাওয়া যায়নি। পরে পরিবারের সদস্যরা একটি বিশেষ চিহ্ন দেখে সাব্বিরের লাশ শনাক্ত করে। এরআগে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় নিজ বাড়ি থেকে আটপুকুরহাট ব্যাংকে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সবুজ। এরপর আর ফিরেননি। বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো সন্ধ্যান না পেয়ে পরদিন বুধবার ফুলবাড়ী থানায় একটি জিডি করে।
এদিকে এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে সবুজের ছোট ভাই সাদেক হাসান সজিব ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর পুলিশ মামলার সূত্র ধরে রাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সকালে দিনাজপুর আদালতে প্রেরণ করে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার এ কে এম মুহিব্বুল ইসলাম বলেন, নিহতের ছোট ভাই সাদেক হাসান সজিব বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামী করে ফুলবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার সূত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রাতভর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। লাশের মাথা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে হত্যা করা হয়।



আপনার মতামত লিখুন