খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

যশোর জেলার চৌগাছা থানা এলাকায় পুত্রের হাতে পিতা খুন মামলার পলাতক আসামী রমিম (২১)কে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করলো পিবিআই, যশোর।

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ
যশোর জেলার চৌগাছা থানা এলাকায় পুত্রের হাতে পিতা খুন মামলার পলাতক আসামী রমিম (২১)কে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করলো পিবিআই, যশোর।

প্রেস রিলিজ

যশোর জেলার চৌগাছা থানা এলাকায় পুত্রের হাতে পিতা খুন মামলার পলাতক আসামী রমিম (২১)কে গ্রেফতার এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করলো পিবিআই, যশোর।

শরিফুল ইসলাম(৪১), পিং-মৃত আলী বক্স, সাং-পাতিবিলা, থানা-চৌগাছা, জেলা-যশোর এর পূর্বের সংসারের ছেলে মোঃ রমিম ইসলাম(২৩) সংসারের কোন কাজকর্ম না করা এবং ২/৩ দিন পরপর হাত খরচের টাকা পয়সা চাওয়াকে কেন্দ্র করে শরিফুল ইসলাম তার ছেলে রমিম ইসলামকে প্রায়ই বকাঝকা ও মারধর করতো। একপর্যায়ে শরিফুল ইসলাম তার ছেলে রমিম ইসলামকে তার স্ত্রীসহ আলাদা করে দিলে, রমিম তার পিতার উপর ক্ষিপ্ত হয় এবং গত ০৭/০৩/২০২৫ তারিখ শরিফুল ইসলাম রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে গেলে ভোর অনুমান ০৪.০০ ঘটিকার সময় রমিমের সৎ মা (হাছিনা বেগম) সেহরী খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে ঘরের দরজা খুলে ওয়াশরুমে গেলে রমিম ইসলাম তার পিতাকে ঘুমন্ত অবস্থায় চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরিবার ও আশপাশের লোকজন চিল্লাচিল্লি শুনে ঘটনাস্থলে এসে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন।

উক্ত ঘটনার সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে পিবিআই, যশোর জেলা ক্রাইমসিন টিম ও পিবিআই যশোর জেলার চৌকস দল ঘটনাস্থল পরিদর্শণসহ উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে ছায়াতদন্ত শুরু করে। ছায়া তদন্তকালে অনুসন্ধানকারী টিম স্থানীয় তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পলাতক আসামী রমিম ইসলামের বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হলে, পিবিআই প্রধান জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, অ্যাডিশনাল আইজিপি, বাংলাদেশ পুলিশ এর সঠিক তত্ত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায়, পিবিআই যশোর জেলা ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন, পিপিএম-সেবা এর নেতৃত্বে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ)/ রিপন কুমার সরকার সঙ্গীয় এসআই(নিঃ)/ শরীফ এনামুল হক, এসআই(নিঃ)/ রতন মিয়া, এসআই(নিঃ)/ গুরুদাসসহ পিবিআই, যশোর জেলার চৌকস দল কর্তৃক আসামী ০১। রমিম ইসলাম(২৩), পিং-শরিফুল ইসলাম, সাং-পাতিবিলা, থানা-চৌগাছা, জেলা-যশোরকে গত ২০/০৬/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিকাল ১৭.২০ ঘটিকার সময় নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানাধীন ভুলতা ঠাকুরবাড়ি টেক এলাকা থেকে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী রমিম তার বাবাকে হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে এবং তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত চাপাতি আসামীর নিজ বাড়ি চৌগাছা থানাধীন পাতিবিলা(মাঠপাড়া) থেকে উদ্ধার করা হয়।

আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, আসামী রমিম ইসলাম (২৩) মৃত শরিফুল ইসলাম এর আগের সংসারের ছেলে। আসামী রমিম ইসলামেরও পূর্বে বিবাহ ছিল। রমিম ইসলামের পূর্বের স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। রমিম ইসলাম নেশা করতো। ঘটনার অনুমান ০১ মাস পূর্বে আসামী রমিম ইসলাম তার বর্তমান মা (সৎ মা) হাছিনা খাতুনের বোনের মেয়ে (খালাতো বোন) কে বিয়ে করে। বিয়ের পর রমিম ইসলাম সংসারের জন্য কোন কাজকর্ম করতো না, বরং সে ২/৩ দিন পরপর তারি পিতা শরিফুল ইসলামের নিকট হাত খরচের (নেশা করার জন্য) টাকা পয়সা চাইতো। এই বিষয় নিয়ে শরিফুল ইসলাম আসামী রমিম ইসলামকে প্রায়ই বকাঝকা ও মারধর করতো। একপর্যায়ে ঘটনার কিছুদিন পূর্বে শরিফুল ইসলাম আসামী রমিম ইসলামকে তার স্ত্রীসহ আলাদা করে দেয়। যার কারনে শরিফুল ইসলাম সাথে তার ছেলে রমিমের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এসব দ্বন্দ্বের জেরে এবং নেশার টাকা না পেয়ে আসামী রমিম ইসলাম তার পিতাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। গত ০৭/০৩/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী হাছিনা খাতুন রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে এবং ভোর অনুমান ০৪.০০ ঘটিকার সময় শরিফুল ইসলাম এর স্ত্রী হাছিনা বেগম সেহরী খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠে ঘরের দরজা খুলে ওয়াশরুমে যায়। পরিকল্পনানুযায়ী আসামী রামিম ইসলাম(২৩) তার মায়ের অনুপস্থিতিতে ঘরে প্রবেশ করে তার পিতা শরিফুল ইসলামকে ঘুমন্ত অবস্থায় চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় মর্মে স্বীকার করে। ধৃত আসামী রমিম ইসলাম (২৩), পিং-শরিফুল ইসলাম, সাং-পাতিবিলা, থানা-চৌগাছা, জেলা-যশোরকে অদ্য ২১/০৬/২০২৫ খ্রিঃ জনাব অবান্তিকা রায়, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, আমালী আদালত চৌগাছা, আদালতে সোপর্দ করা হলে আসামী বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

উল্লেখ্য যে, হত্যাকান্ড সংক্রান্তে ভিকটিম শরিফুল ইসলামের স্ত্রী হাছিনা খাতুন বাদী হয়ে মোঃ রমিম এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে চৌগাছা থানার মামলা নং-০৬, তারিখ-০৮/০৩/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২ পেনাল কোড রুজু হয়। উক্ত মামলাটি পিবিআই, যশোর জেলায় স্ব-উদ্যোগে গ্রহণ করে মামলার তদন্তভার এসআই(নিঃ)/রতন মিয়া এর উপর অর্পণ করা হয়েছে।

(রেশমা শারমিন পিপিএম-সেবা)
বিপি নং-৮০০৬১১৯৮৩৫
পুলিশ সুপার
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন(পিবিআই)
যশোর জেলা।

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।