খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

অভাব অনটন পিছু ছাড়ছে না সুন্দরবনের জেলেদের

সাকিল
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
অভাব অনটন পিছু ছাড়ছে না সুন্দরবনের জেলেদের

ছোটকাল থেকে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরতিছি। এখনো সেই মাছ ধরেই যাচ্ছি, সত্তর বছরের বেশি বয়স হয়ে গেল, কিন্তু সংসারের অভাব-অনটন দূর কত্তি পারলাম না! খেয়ে , না খায়ে আমার জীবনডাহ প্রায় শেষ, আগের মতো সুন্দরবনে আর মাছও পাওয়া যায় না। আমার জীবন তো কাটে গেল, ছাওয়ালগের কী হবে?

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের সামনে শাকবাড়ীয়া নদীর পাড়ে ডিঙ্গি নৌকার ওপর বসে কয়রা সদর ইউনিয়নের গ্রামের সত্তরোর্ধ্ব জেলে হযরত আলী সানা দীর্গর্শাস ফেলে কথা গুলা বলছিলেন। শুধু হযরত আলীই না , তার মতো সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল অন্য জেলেদের সংসারের অবস্থা প্রায় একই রকম।

সরজমিনে জানা যায়, দীর্ঘ তিন মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরার অনুমতি পেয়েছে বন বিভাগ থেকে। কিন্তু আগে যেখানে একেক জন জেলে একটি পাশ পারমিট (বিএলসি) নিয়ে পুরো খুলনা রেঞ্জের প্রতিটি নদী-খালে মাছ ধরতে পারতেন, সেখানে এখন থেকে কোনো জেলে একটির বেশি খালে মাছ ধরতে পারবেন না। এতে চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন সুন্দরবনসংলগ্ন কয়রা উপজেলার জেলেরা।
কয়রা উপজেলার সুন্দরবন বন বিভাগের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন সূত্র জানায়, সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জে ছোট-বড় মিলিয়ে তিন শতাধিক নদী-খাল রয়েছে। কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের অধীন সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ ধরার জন্য ৯৪২ জন জেলের অনুমোদন রয়েছে। এদের মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৭৫ জন জেলে বনে প্রবেশের পাশ পারমিট সংগ্রহ করেছেন। পাশ পারমিটপ্রাপ্ত জেলেদের মধ্যে ৪৫০ জন মাছ ও ২২৫ জন জেলে কাঁকড়া সংগ্রহের জন্য পাশ নিয়েছেন। বৈধভাবে এক একটি পাশ পারমিটের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দুই জন জেলে সুন্দরবনে মাছ ধরতে যেতে পারবেন। সংখ্যানুপাতে এক একটি নদী-খালে ছয় জন করে জেলের মাছ ধরার অনুমতি রয়েছে।
এক সপ্তাহের জন্য সুন্দরবনে মাছ ধরার জন্য একজন জেলের প্রবেশ ফি ১৫ টাকা ও কাঁকড়া ধরার জন্য প্রবেশ ফি ১২ টাকা। এর ওপর রয়েছে ১৫ শতাংশ ভ্যাট। এছাড়া প্রতি কেজি ইলিশ ও ভেটকি মাছ ধরার জন্য ২৪ টাকা, বাগদা ও গলদা চিংড়ি ৫০ টাকা, সাদা মাছ ৬ টাকা ৪০ পয়সা ও গুঁড়া চিংড়ি ৫ টাকা করে দিতে হয়।

সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের নজরুল সানা, মহারাজপুর ইউনিয়নের মঠবাড়ী গ্রামের জেলে লুত্ফর মোল্লা, মোবারক গাজী
আগে একেক জন জেলে সুন্দরবন বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের অধীনের পাশ পারমিট নিয়ে সারা রেঞ্জের সবগুলো নদী-খালে মাছ ধরতে পারতেন। আবার মাছ ধরার জন্য সময় দেওয়া হতো ১৫ দিন। কিন্তু চলতি মৌসুম থেকে জেলেরা একটির বেশি নদী বা খালে মাছ ধরতে পারবে না। তারা বলেন, আগে জেলেরা একেক বার ১৫-২০ কেজি করে মাছ ধরতে পারত। এখন ৪-৫ কেজির বেশি মাছ পাওয়া যায় না। আবার মাছ ধরার সময় কমিয়ে এক সপ্তাহ করা হয়েছে। এতে আমাদের মরে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাস মাছের ভরা মৌসুম। সেই সময় সুন্দরবনের নদনদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনিতেই তিন মাস বেকার থাকতে হয়। তার ওপর একটি খালে দুই-তিন কেজির বেশি মাছ পাওয়া যায় না।
হামিদ নামে একজন জেলে বলেন, ‘গাঙে আগে বড় বড় মাছ ছিল। এখন সে ধরনের মাছ আর নেই। ফলে আমরা জেলেরা অশান্তিতে আছি।’ জামিন মিয়া নামে আরেক জন জেলে বলেন, ‘মাছ থাকবে কি করে? খাটা পাটা, বেহেন্দি আর নেট জালে পড়ে ছোট ছোট পোনা সব মরে যায়। ফলে মাছ আর বড় হতি পারে না।’
কয়রা সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. লুত্ফর রহমান বলেন, ‘সুন্দরবন বন বিভাগের নতুন সিস্টেমে জেলেদের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। আগে জেলেরা দুবেলা ভাত খেতে পারত, এখন তাও আর জুটবে না।’
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের বন কর্মকর্তা এই প্রতিবেদককে ‌বলেন, সুন্দরবন টিকিয়ে রাখার জন্যই বন বিভাগের পক্ষ থেকে মাছ ধরার ওপর একটু কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে এতে জেলেদের খুব একটা ক্ষতি হবে না। আবার এক শ্রেণীর জেলেরা অভয়ারণ্য এলাকায় ঢুকে মাছ শিকার করছে, যার কারণে সাধারণ নিরীহ ‌জেলেরা পড়েছে মহা বিপদে সুন্দরবনের বনরক্ষীরা সুন্দরবনের সম্পদ রক্ষার জন্য বিরতিহীন ভাবে সাতক্ষীরা রেঞ্জার এলাকায় টহল জোরদার করেছে সে কারণে সাধারণ জেলেদেরও সুন্দরবনে মাছ কাকড়া আহরণ করতে ঝুঁকিতে পড়েছে, পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন কৈখালী শৈলখালী ভেটখালী কারেন্সিয়া গোলা খালি ট্যাংরাখালি পার্শেখালি মীর গান যতীন্দ্রনগর ছোট ভেটখালী চুনকুড়ি হেতালখালী ধমঘাট শিঙ্গল তলী হরিনগর
প্রতাপনগর গড়কুমারপুর পাখিমারা পাতাখালি পশ্চিম পাতাখালি চন্ডিপুর খুঁটিকাটা গাবুরা নাপিতখালী লেবু বুনিয়া গাগড়া।
এই সমস্ত গ্রামের বনজীবীদের দিন কাটছে খুব কষ্টে কিছু অসাধু বনজীবীদের কারণে হাজার হাজার বোনজীবীরা সুন্দরবনে মাছ কাঁকড়া আহরণ করতে তাদেরকে বিঘ্ন ঘটছে এই সমস্ত অসহায় হাজার হাজার জেলেরা ও আসাদু জলেদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দাবী জানিয়েছে বন বিভাগে

 

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।