খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ১০ গ্রাম প্লাবিত

আশাশুনির বিছটে খোলপেটুয়া নদীর বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ১০ গ্রাম প্লাবিত

জামিল
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনির বিছটে খোলপেটুয়া নদীর বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ১০ গ্রাম প্লাবিত

# ২১ হেক্টর জমির মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্থ

# ৪ হাজার ৫০০ বিঘা জমিন ধান নষ্ট
#  বানভাসি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী পাউবো বাঁধে

আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছটে খোলপেটুয়া নদীর বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ভেসে গেছে কয়েক হাজার বিঘা ফসলি জমি, মৎস্য ঘের ও পোল্টি মুরগির খামার। প্লাবিত এলাকার বানভাসি মানুষ সহায় সম্বল হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ভাঙ্গণ পার্শ্ববর্তী পাউবো বাঁধের উপরে। মানুষ ও গো-খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে।
প্রতক্ষদর্শী, স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পশ্চিম ধারে পাউবো’র বেড়ী বাঁধে বেশ কিছু দিন পূর্বে ফাটল দেখা দিয়েছিল। এতে বাঁধ ঝুকিপূর্ণ হলে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে নিঃর্ঘুম রাত কাটাতে থাকে। অবশেষে গত ৩১ মার্চ সোমবার (ঈদ-উল ফিতরের দিন) সকাল ৮ টার দিকে জোয়ারে চাপে বাঁধ ছাপিয়ে খোলপেটুয়া নদীর লোনা পানি ভেতরে প্রবেশ করতে শুরু করে। স্থানীয়রা জানতে পেরে পানি রক্ষা করার চেষ্টা করার আগেই বাঁধের ১০/১৫ হাত ভেঙ্গে নদীগর্ভে চলে যায়। ফলে নদীর পানি প্রবল বেগে ভেতরে প্রবেশ করে বিছট গ্রাম প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি, মৎস্য ঘের, ফসলি জমি, পুকুর, পোল্টি ফার্ম।
ঈদ-উল ফিতরের নামাজরত অবস্থায় মুঠোফোনে খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, ইউপি সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে তড়িত সিদ্ধান্তে ৯ টার দিকে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ শুরু করে প্রাথমিকভাবে ছোট করে রিং বাঁধ দেয়। কিন্তু দুপুর ১২ টার দিকে জোয়ারের পানি অধিক ফেপে রিং বাঁধ ছুটে গিয়ে মুহুর্তের মধ্যে ৪০/৫০ ফুট বাঁধ ভেঙ্গে যায় এবং প্রবল বেগে ভেতরে পানি প্রবেশ করতে থাকে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়, সাতক্ষীরা থেকে পাউবো কর্তৃপক্ষ উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জোয়ারের পানি ভেতরে প্রবেশ ও ভাটায় নদীতে পানি নিস্কাশনকালে বাঁধের ভাঙ্গন বাড়তে বাড়তে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (১ এপ্রিল সন্ধ্যা) বাঁধ ভেঙ্গে প্রায় ৩০০ ফুট নদী গর্ভে চলে গেছে। ইউনিয়নের বিছট, নয়াখালী, বল্লভপুর, আনুলিয়া, কাকবাসিয়া সহ ১০ গ্রাম পানিতে ডুবে প্লাবিত হয়ে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১২ শত পরিবার। পানিতে ডুবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার বিঘা মৎস্য ঘের, ২১ হেক্টর ফসলি জমি, পুকুর, হাঁস-মুরগি, গরু-চাগলের খামার। ১০০ অধিক কাচা ঘর বাড়ী পানিতে ডুবে ভেঙ্গে গেছে। এসব প্লাবিত এলাকার মানুষের রান্না খাবার, হাঁস-মুরগী ও গো খাবারের অভাব দেখা দিয়েছে। প্লাবিত এলাকার বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবো’র বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। আবার কেহ কেহ অন্য গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ী উঠেছে। মাঝে মাঝে বেশ কিছু যুবককে পানি বন্দি এলাকার মানুষের মাঝে শুকনা খাবার সরবরাহ করতে দেখা গেছে।
সিনিঃ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সত্যজিত মজুমদার জানান, নদীর পানিতে এ পর্যন্ত ৩০০ থেকে ৩৫০ টি মৎস্য ঘের ভেসে গেছে। প্রায় ৪৫০০ বিঘা জমির মৎস্য ঘেরের মাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শুভ্রাংশু শেখর দাশ বলেন, প্রাথমিক হিসাবে ২০ হেক্টর জমির ধান ক্ষেত ও দেড় হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। বাঁধ রক্ষা না হলে এলাকার ধান, সবজী, তরমুজ চাষীরা চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ জানান, পাউবো’র ১ ও ২ নং পোল্ডারের কর্মকর্তাদের একসাথে হয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করে দ্রুত বাঁধ বাধার কাজ সম্পন্ন করতে বলেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাঁধ বাধা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, বাঁধ বাধার কাজ সম্পন্ন করার দ্রুত পরিকল্পনা চালাচ্ছি। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে তা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি সকলকে আশ্বস্ত করেন।
ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুন জানান, আগামী ৪/৫ দিনের মধ্যে যদি বাঁধ বাধা সম্ভব না হয় তাহলে পার্শ্ববর্তী খাজরা, বড়দল ও প্রতাপনগর এলাকা প্লাবিত হবে। ভাঙ্গনস্থান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণা রায়, আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ ঢালী, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক স,ম হেদায়েতুল ইসলাম, স্থানীয় জনপ্রতিধি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কর্মীবৃন্দ ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।