চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসিতে ফল বিপর্যয়, পাশের হার ৪৯.৪৮, কেউ পাশ করেনি ৮ বিদ্যালয়ের
জিপিএ-৫ কমেছে ২১৪৫, পাশের হার কমেছে ১২.৫৯ শতাংশ
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫—দুটিই কমেছে। এবার এ বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৬৯৮ জন। গত বছর পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ কমেছে ২ হাজার ১৪৫টি।

01830 393439
এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন। ফলাফল ঘোষণা উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম জেলা ছাড়াও কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬০ দশমিক ০৩ শতাংশ। বরাবরের মতো এবারও ছাত্রীদের পাসের হার ছাত্রদের চেয়ে বেশি।
চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় এবার পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৮১ দশমিক ০৩ শতাংশ। মহানগর বাদে চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ।

০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯
চট্টগ্রামের বাইরের চার জেলাতেও এবার ফলাফলে বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩০ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে এবার ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে এবার পাসের হার মাত্র ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর বান্দরবানে এবার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলেও পার্থক্য রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার মাত্র ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফলেও এবার বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবার মাত্র ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৩টি। বিপরীতে এবার আটটি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল মাত্র একটি।

এদিকে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর, ১০ আগস্ট ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
ফলাফলের সার্বিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির ফলাফলে উল্লেখযোগ্য অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানসহ পার্বত্য জেলাগুলোতে পাসের হার কমেছে ব্যাপকভাবে। একই সঙ্গে শতভাগ পাস করা বিদ্যালয়ের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা বিদ্যালয়ের সংখ্যা এক থেকে বেড়ে আটে পৌঁছানোও এবারের ফলাফলের দুর্বল চিত্রকে স্পষ্ট করেছে।

কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আপনার মতামত লিখুন