খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

মিথ্যা অপপ্রচার বনাম সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক: প্রশাসনের উদাসীনতা ও সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের প্রতিবাদ।

শেখ শহীদুল হক বাবলু নিজস্ব প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
মিথ্যা অপপ্রচার বনাম সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক: প্রশাসনের উদাসীনতা ও সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের প্রতিবাদ।

সাংবাদিকতা হলো সমাজের সত্যের প্রতিফলন, মানুষকে সচেতন করার এক অনন্য মাধ্যম। কিন্তু এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে বিপদও। সম্প্রতি চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এ সত্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জাতীয় ইংরেজি দৈনিক ‘টুরিস্ট’ পত্রিকার প্রতিনিধি এবং অনলাইন সেবা ‘জাগো বাঁশখালী’ এর পরিচালক সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ, অপবাদ ও ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

https://www.facebook.com/share/186cCPpDeg/?mibextid=wwXIfr
উচ্চতা বৃদ্ধির হিল
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এই ঘটনা শুধু একজন সাংবাদিকের পেশাগত সুনাম নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে গুরুত্ব বহন করে। চাঁনপুর বাজারে অবস্থানরত সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করে আসছেন। তিনি সমাজে অরাজকতা, মানবিক অবক্ষয় ও অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে জনগণকে তথ্যভিত্তিক সচেতনতার মাধ্যমে পথ দেখানোর চেষ্টা করে আসছেন। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে কিছু অসৎ ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়িয়ে দিচ্ছে। সাংবাদিকের বক্তব্য অনুযায়ী, তার অফিসের আশেপাশে কিছু অনৈতিক ব্যক্তি ঘোরাফেরা করছে এবং কখনো কখনো আক্রমণের হুমকি প্রকাশ করছে। এ ধরনের হুমকি কেবল তার পেশাগত দায়িত্বকেই নয়, তার পারিবারিক নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। অনলাইন ও সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচার তার পরিবারের সদস্যদের মানসিক শান্তি নষ্ট করছে।

বিজ্ঞাপন

এটি তার পারিবারিক ও সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা পেশাগত খ্যাতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালন করা, মানসিক চাপ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি ছাড়া অসম্ভব হয়ে ওঠে। জিডি না নেওয়া ও প্রশাসনের উদাসীনতা মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (G.D.) করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্থানীয় ওসি বিষয়টি এড়িয়ে যান। পুলিশ প্রশাসনের এই উদাসীনতা সাংবাদিককে গভীরভাবে ব্যথিত ও আতঙ্কিত করেছে। তিনি বলেন, “আমি শুধু আমার আইনি অধিকার প্রয়োগ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে আমার জীবন, পেশাগত সম্মান এবং দীর্ঘদিনের সুনাম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

পুলিশি উদাসীনতা শুধু সাংবাদিকের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলে না, বরং একটি সম্প্রদায়ের আস্থা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। যদি একজন সাংবাদিক নিজের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের সহায়তা না পায়, তাহলে সমাজে সত্য প্রকাশের দায়িত্ব পালন করা কতোটা কঠিন হয়ে ওঠে, তা বোঝার জন্য আরেকটি উদাহরণ এ ঘটনা।

বিজ্ঞাপনের জন্য কল করুন

সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের তীব্র প্রতিবাদ সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ (JDC) বাঁশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, বিভাগীয় কমিটি, নগর কমিটি ও প্রতিটি জেলা ও থানা কমিটি একযোগে সাংবাদিক আবু ছিদ্দিকের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানি এবং হুমকির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
বাঁশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক বলেন, “সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে চালানো মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানি এবং হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন যদি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়, তবে আমরা জোরালো কর্মসূচী ঘোষণা করব। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার ও ডিআইজি-কে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।” সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি আরও জানায়, “এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। আমরা প্রশাসনকে সতর্ক করছি, যাতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচীর মাধ্যমে এর জবাব দেওয়া হবে।
অভিযোগ ও প্রভাব সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অসৎ ব্যক্তি সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে তার নাম ব্যবহার করে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছে। এতে তার অফিস, প্রতিষ্ঠান ‘জাগো বাঁশখালী’ এবং ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের ওপরও ভিত্তিহীন সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, “এই অপপ্রচার কেবল আমার ব্যক্তিগত জীবন নয়, বরং সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং সমাজ সচেতনতার দায়িত্বকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে সত্যের পথে কাজ করেছি, কিন্তু সম্প্রতি চালানো এই মিথ্যা অপপ্রচার আমার সুনাম ও পেশাগত পরিচয়কে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।
সামাজিক ও সাংবাদিক প্রতিক্রিয়া মানবাধিকার এবং সাংবাদিক নিরাপত্তা বিষয়ক সংগঠনগুলো সাধারণত এ ধরনের ঘটনা নজরদারি করে থাকে এবং সরকারের কাছে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়। সাংবাদিক আবু ছিদ্দিকের অভিযোগ প্রমাণ করে যে, সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালনের পথে কিছু অসৎ মহল সবসময় বাধা সৃষ্টি করে। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য জোরালো কর্মসূচী নেওয়া হবে। এটি শুধু একজন ব্যক্তির সুরক্ষা নয়, বরং সাংবাদিক সমাজের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
সাংবাদিকতা হলো সত্য প্রকাশের হাতিয়ার। একজন সাংবাদিকের স্বাধীনতা সীমাহীনভাবে রক্ষা করা না হলে সমাজে তথ্যের মুক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। মিথ্যা অপপ্রচার ও প্রশাসনের উদাসীনতা সাংবাদিকতার উপর সরাসরি আঘাত। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের ঘটনা প্রমাণ করে, সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধির দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে থাকেন। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং আইনানুগ পদক্ষেপের দাবি এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সত্যের পথে দাঁড়ানো সাংবাদিকদের পাশে দাড়ানো, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের নির্ভীকতার উদাহরণ আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, যে সাহস ও সততা ছাড়া সমাজ সচেতনতা ও ন্যায়ের পথে লেখা সম্ভব নয়।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।