খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

কালো অর্থের ম্যাজিকে বহাল তবিয়তে প্রতারক অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন

ক্রাইম ডেস্ক, নিজস্ব প্রতিবেদক, নওগাঁ।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
কালো অর্থের ম্যাজিকে বহাল তবিয়তে প্রতারক অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলাধীন বালাতৈড় গ্রামে মরহুম সিদ্দিক হোসেন কর্তৃক ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য বাহী “বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ” এখন ভয়াবহ দুর্নীতির দায়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে। বৈষম্য বিরোধী পতিত আওয়ামী লীগের দোসর ও দাপট ধারী সাবেক অবৈধ খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের (নিয়ামতপুর নিবাসী) দোসর ও দাপট ধারী অত্র কলেজের অধ্যক্ষ ড.মো: আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ভুয়া শিক্ষক নিয়োগ, কোটি টাকার আর্থিক লেনদেন, সরকারি নথিপত্র টেম্পারিং এবং প্রভাষক মো: এরশাদ- অর্থনীতি এর সাথে বৈষম্য করার সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে সরকারি তদন্তে। ফলে কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু করে গোটা এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। সর্বত্র উঠেছে দুর্নীতিবাজ এই অধ্যক্ষের স্থায়ী বরখাস্ত সহ যথাযথ শাস্তির জোর দাবি।

যে সমস্ত সরকারি কাগজ অধ্যক্ষ গোপনে জাল করেন তা হলো- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ২৮/০৬/২০১৫ তারিখের চিঠি, ডিজির প্রতিনিধির গত ২৬/০৭/২০১৫ এর চিঠি, গত ৩১/০৭/২০১৫ তারিখের সিএসকপি, কলেজ গভর্নিং বডির গত ২২/০৮/২০১৫ তারিখের চলমান রেজুলেশন টেম্পারিং, ৩১/০৮/২০১৫ তারিখের প্রভাষক এরশাদ আলীর বৈধ নিয়োগের পদ পরিবর্তন ও সর্বশেষ শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের গত ২৯/০৪/২০২০ তারিখের স্মারক টেম্পারিং করা সহ এই সকল সরকারি দপ্তরের চিঠি টেম্পারিং করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ভুয়া রেকর্ড সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ অনুসারীদের ডিগ্রি শাখায় ভুয়া নিয়োগ দেন। তা হলো- বাংলা, ইংরেজি, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগে পাঁচজন ভুয়া শিক্ষক নিয়োগ দেন অধ্যক্ষ আমজাদ। এই নিয়োগের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে। কলেজ গভর্নিং বডির ২২ আগস্ট ২০১৫ সালের রেজুলেশন টেম্পারিং করে এসব নিয়োগ বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করা করেন অর্থ লোভী অধ্যক্ষ আমজাদ। জানা যায় যে ভুয়া শিক্ষক গণের নাম শিক্ষক হাজিরা খাতায় রয়েছে এবং এখনো কলেজে তারা আসা যাওয়া করেন।

 

জানা যায় বৈধ শিক্ষক এরশাদ আলীর নিয়োগ বোর্ড ব্যবহার করে অধ্যক্ষ কর্তৃক উক্ত অনিয়ম করার জন্য বৈধ প্রভাষক মো: এরশাদ আলীর ন্যায্য বেতন-ভাতাদী ২০১৯ সালের জুন জুলাই মাস থেকে আজ অবধি আটকে থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন প্রভাষক এরশাদ আলীর পরিবার।

তদন্তে আরও বেরিয়ে আসে, দর্শন বিভাগের ভুয়া শিক্ষক মো: কামাল হোসেনের নামে বর্তমানে বেতন চালু করেছেন অধ্যক্ষ, যা সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল।

আরো জানা যায় যে কলেজে প্রায় ৫০ বিঘা জোত ভুমি, আম বাগান, কাঠের বাগান, কলেজ মার্কেট সহ বিভিন্ন আয়ের খাত থেকে বছরে যথেষ্ট আয় হয়। সরকারি তদন্তে ধরা পড়ে বিগত কয়েক বছরের আয় ব্যয়ের হিসাব দেখাতে পারেন নাই অধ্যক্ষ, এমনকি ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত কলেজের আয়-ব্যয়ের কোনোই সুনির্দিষ্ট নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি অধ্যক্ষ। বরং মনগড়া খাতে ভুয়া ব্যয় দেখিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে তদন্তে ধরা পড়ে।
অধ্যক্ষ অর্থ আত্মসাৎ করে রাজশাহী শহরের বহরামপুর মোড়ে জমি কিনে বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেছেন। জিরো থেকে হিরো হয়েছেন অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন।

এক সময় অধ্যক্ষ নিজেই স্বীকার করেন, “আমি বরখাস্ত হব।” সাবেক কলেজ সভাপতি যতীন্দ্র মোহন বলেন অধ্যক্ষের লজ্জা নাই, অধ্যক্ষের শাস্তি হবেই। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর তার বেতন স্থগিত রেখেছেন, যা এখনও কার্যকর রয়েছে।

আরো জানা যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শক, মাউশির সহকারী পরিচালক ও রাজশাহী আঞ্চলিক শিক্ষা অফিসের পরিচালক সহ সকল সরকারি কর্মকর্তা গণ প্রভাষক এরশাদ আলীর বেতনের ফাইল পাঠানোর জন্য অধ্যক্ষ কে একাধিক বার বললেও অধ্যক্ষ তা অমান্য করে বর্তমানে তিনি নিয়মিত ও সময় মত কলেজে না এসে নিজের মনগড়া তৈরি করা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষক প্রতিনিধি দের নিয়ে নিজের অপরাধ লুকানোর জন্য ও চাকরি বাঁচাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ও মাউশি অধিদপ্তরে ছুটাছুটি করে কলেজের অর্থ অপচয় করছেন। অন্যদিকে বৈধ নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক মো: এরশাদ আলীর সাথে নানা ষড়যন্ত্র মূলক আচরণ করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন। জানা যায় যে অধ্যক্ষ এরশাদ আলীর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ও হামলা করার জন্য নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। আরো জানা যায় যে প্রভাষক এরশাদ আলী নিয়মিত ও সময় মত কলেজে উপস্হিত হওয়ার পরেও অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ষড়যন্ত্র করে তিনাকে হাজিরা করতে দিচ্ছেন না এবং ক্লাস নিতে দিচ্ছেন না। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের এবং মাউশি অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধার সহিত অধ্যক্ষের অনিয়মের পক্ষ না নেওয়ার ও সুপারিশ না করে বরং অধ্যক্ষ কে স্হায়ী বরখাস্ত করন সহ বিধি মোতাবেক ব্যবস্হা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছেন কলেজ প্রতিষ্ঠাতার আপন ভাতিজা আব্দুল হাকিম, কলেজ এলাকা বাসী, উপাধ্যক্ষ, সাধারণ শিক্ষক এবং ভুক্তভোগী বৈধ প্রভাষক এরশাদ আলী।

এদিকে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মো. আবদুল হাকিম, শিক্ষক সমাজ, অভিভাবকবৃন্দ, ব্যবসায়ী গণ এবং স্থানীয় জনগণ মিলে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কলেজের অর্থ আত্মা সাতের বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন এবং অধ্যক্ষ ড. মো: আমজাদ হোসেনের স্থায়ী বরখাস্ত করণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন।

তারা বলেন, “একজন স্বঘোষিত জালিয়াত যিনি বছরের পর বছর ধরে কলেজের সুনাম নষ্ট করে চলেছেন, তার দ্রুত অপসারণ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় এই মহান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে পড়বে।”
তারা একইসঙ্গে বৈধ শিক্ষক মো. এরশাদ আলী- অর্থনীতি এর বকেয়া বেতনসহ সমস্ত সুযোগ-সুবিধা অবিলম্বে চালুর দাবি জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মহোদয় এর নিকট।

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।