খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাওয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্ঠি

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে সাড়ে ৪ কোটি টাকা উধাওয়ের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্ঠি

ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত হাজার টাকার বান্ডেলে ১০০ টাকার নোট ঢুকিয়ে, ‘মনগড়া হিসাব’ মেলানোর অভিযোগ

চট্টগ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির একটি শাখার ক্যাশ ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভল্টে রাখা এক হাজার টাকার নোটের

Waterproof mobile Cover
01830 393439

বান্ডেলের ভেতরে ১০০ টাকা বা ছোট নোট রেখে বাইরে থেকে বান্ডেল ঠিক রেখে ‘মনগড়া হিসাব’ মেলানোর মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রামের লালদীঘি জেলা পরিষদ ভবনে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদীঘি পূর্ব পাড়স্থ করপোরেট শাখায় সুকৌশলে টাকা আত্মসাতের এ ঘটনা ঘঠেছে। এ ঘটনায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের করা মামলায় শাখার ক্যাশ ইনচার্জ সিনিয়র অফিসার কামরুল ইসলাম (৪১) এবং তার পরিচিত জাফর উল্লাহ তানভীর (২৫) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তানভীর ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি জেলা পরিষদ ভবনে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব পাড়স্থ করপোরেট শাখার ভল্টে এ ঘটনা ঘটে। ব্যাংকের ভাষায়, নিয়মিত হিসাব মেলাতে গিয়ে ভল্টে বিপুল অঙ্কের নগদ টাকার ‘ঘাটতি’ ধরা পড়ে। ওই অর্থ বিভিন্ন গ্রাহকের আমানতের বলে জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন জানান, ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত সোমবার থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ভল্টের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র অফিসার কামরুল ইসলামকে প্রধানভাবে দায়ী করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কামরুলসহ দুজনকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভল্টে নগদ টাকা জমা দেওয়ার সময় এক হাজার টাকার নোটের বান্ডেলের পরিবর্তে তার ভেতরে ১০০ টাকা বা ছোট মূল্যমানের নোট রেখে দেওয়া হতো। এরপর কাগজে-কলমে কিংবা হিসাব ব্যবস্থায় ওই বান্ডেলকে এক হাজার টাকার নোটের বান্ডেল হিসেবে দেখিয়ে ‘মনগড়া হিসাব’ মেলানো হতো। ফলে বাইরে থেকে ভল্টে টাকার বান্ডেল দেখা গেলেও প্রকৃতপক্ষে বান্ডেলগুলোর ভেতরে সমপরিমাণ টাকা থাকত না।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ১ জুন থেকে চলতি বছরের ৯ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে এভাবে ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। গত ৯ আগস্ট নিয়মিত ব্যাংকিং কার্যক্রম ও লেনদেন শেষে ভল্টের নগদ টাকার হিসাব মেলানোর সময় ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ঘাটতি ধরা পড়ে।
ঘাটতির বিষয়টি ধরা পড়ার পর ভল্টের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা কামরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তার কাছে টাকার হিসাব চাইলে তিনি গড়িমসি করতে থাকেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
গরুর খামারে বিনিয়োগের অভিযোগঃ

পুলিশের দাবি, ব্যাংক থেকে আত্মসাৎ করা অর্থের একটি অংশ কামরুল ইসলাম তার পরিচিত জাফর উল্লাহ তানভীরের মাধ্যমে হাটহাজারী উপজেলায় ‘ইশরাত অ্যাগ্রো’ নামে একটি গরুর খামারে বিনিয়োগ করেন। খামারটিতে বিভিন্ন জাতের প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি গরু রয়েছে বলে জানা গেছে।
মামলায় বলা হয়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থের একটি বড় অংশ ওই খামারে বিনিয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে এবং আত্মসাৎ করা অর্থের অবস্থান ও অর্থের লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নঃ
অগ্রণী ব্যাংকের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের শাখার ভল্ট থেকে কয়েক কোটি টাকা কীভাবে দীর্ঘ সময় ধরে ঘাটতি হওয়ার পরও ধরা পড়েনি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভল্টে নগদ অর্থ সংরক্ষণ, দৈনিক হিসাব মেলানো, নগদ অর্থের বান্ডিল যাচাই এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদারকির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্তের আওতায় আসছে।
বিশেষ করে হাজার টাকার নোটের বান্ডেলের মধ্যে ছোট নোট রেখে দীর্ঘ সময় হিসাব মেলানোর অভিযোগ সত্য হলে, নিয়মিত ভল্ট পরিদর্শন ও নগদ অর্থ যাচাইয়ের কার্যক্রম কতটা কার্যকর ছিল—সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি ধরা পড়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আত্মসাৎ করা পুরো অর্থ কোথায় গেছে, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সহযোগিতা ছিল কি না—এসব বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে বিপুল পরিমাণ আমানতের অর্থ ভল্ট থেকে উধাও হওয়ার ঘটনায় গ্রাহকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে অর্থ আত্মসাতের প্রকৃত পদ্ধতি, জড়িতদের সংখ্যা এবং আত্মসাৎ করা অর্থ উদ্ধারের বিষয়ে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।