খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যানে যুক্ত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রাম
প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যানে যুক্ত হচ্ছে নতুন পাঁচ উপজেলা

২৫ বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনা চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং জনমত গ্রহণের মধ্য দিয়েই এটি চূড়ান্ত করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

নগরের ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত চাপ কমাতে পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি সিটি ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মহানগরের পরিকল্পিত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রণীত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান ২০২৫–২০৫০-এর খসড়া চূড়ান্ত মহাপরিকল্পনায় নগরের বাইরে আনোয়ারা, রাউজান, হাটহাজারী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ডসহ পার্শ্ববর্তী বিস্তৃত এলাকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ দিনব্যাপী খসড়া পরিকল্পনার ওপর জনমত গ্রহণ করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)।
শনিবার চউক ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান চউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। এ সময় প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী মাস্টারপ্ল্যানের পটভূমি, উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এলাকা এবং খসড়া মহাপরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২ আগস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাগরিকরা চউক ভবনের চতুর্থ তলায় খসড়া মহাপরিকল্পনার প্রতিবেদন, প্রস্তাবনা ও মানচিত্র পর্যালোচনা করে মতামত, আপত্তি, সুপারিশ ও সংশোধনী প্রস্তাব দিতে পারবেন। এছাড়া অনলাইন ও ওয়েব-জিআইএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী বলেন, একটি মাস্টারপ্ল্যান কেবল বিশেষজ্ঞদের নথি নয়; স্থানীয় জনগণের অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনের প্রতিফলনও এতে থাকতে হবে। জলাবদ্ধতা, যানজট, খাল-নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্মুক্ত স্থান, খেলার মাঠ ও গণপরিবহনের মতো বিষয়গুলো জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই কার্যকরভাবে পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।
চউক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, “জনগণ ছাড়া মাস্টারপ্ল্যান নয়, জনগণের জন্যই এই মাস্টারপ্ল্যান।” তিনি বলেন, ২৫ বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনা চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং জনমত গ্রহণের মধ্য দিয়েই এটি চূড়ান্ত করা হবে।
তিনি জানান, ১৯৬১ সালে চট্টগ্রামের প্রথম মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়। এরপর ১৯৯৫ সালের মাস্টারপ্ল্যান এবং ২০০৮ সালের ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে প্রণয়নাধীন পরিকল্পনাটি চট্টগ্রামের চতুর্থ মহাপরিকল্পনা।
নতুন মহাপরিকল্পনায় ভূমি ব্যবহার, যোগাযোগ ও পরিবহন, আবাসন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, পাহাড়, নদী, খাল, পুকুর ও জলাশয় রক্ষা এবং শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চউক চেয়ারম্যান বলেন, নগরের ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও অবকাঠামোগত চাপ কমাতে পার্শ্ববর্তী উপজেলাগুলোতে পরিকল্পিত মিনি সিটি ও স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এসব এলাকায় আবাসন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিনোদন ও আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থার সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ নগরায়ণ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেকোনো প্রতিষ্ঠান উন্নয়ন বা ভবন নির্মাণের অনুমোদন দিলেও তা অনুমোদিত মাস্টারপ্ল্যানের নির্দেশনা ও ভূমি ব্যবহারের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
বর্তমান নগর উন্নয়নের নানা অসংগতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক বেসরকারি হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্থাপনা অনুমোদিত ভূমি ব্যবহারের শর্ত অনুসরণ না করেই গড়ে উঠেছে। কোথাও কোথাও বাণিজ্যিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে পরে হাসপাতাল বা অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলে যানজট, পার্কিং সংকট, জনসমাগম এবং পরিবেশগত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, শুধু মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করলেই পরিকল্পিত চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব নয়; বরং পরিকল্পনা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।