যশোরের চৌগাছা ফিলিং স্টেশনে তেলে কেরোসিনের অভিযোগ
যশোরের চৌগাছায় “চৌগাছা ফিলিং স্টেশন “ থেকে নেওয়া পেট্রোল ও অকটেনের সঙ্গে কেরোসিন মিশ্রণের অভিযোগ করেছেন একাধিক মোটরসাইকেল চালক। ফিলিং স্টেশন এর মালিক কামাল হোসেন এর নামে ইতি পূর্বে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তিনি এই ভেজাল তেল বিক্রি করে নিম্ন বিত্ত থেকে হয়েছেন কোটিপতি ।

০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯
এতে অনেকের মোটরসাইকেল মাঝপথে বিকল হয়ে পড়েছে। কেউ গাড়ি গ্যারেজে নিয়ে গেছেন, আবার কেউ বিকল মোটরসাইকেল ঠেলে পাম্পে এনে কর্তৃপক্ষকে দেখিয়েছেন।
শনিবার (৭ই মার্চ -২৬) চৌগাছা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক তাদের গাড়ি নিয়ে পাম্পে দাঁড়িয়ে আছেন এবং তেলের গুণগত মান নিয়ে অভিযোগ করছেন।

ভুক্তভোগীদের একজন জানান, গত শুক্রবার তিনি ওই ফিলিং স্টেশন থেকে পেট্রোল ও অকটেন নেন। তেল নেওয়ার প্রায় দুই কিলোমিটার পরেই তার মোটরসাইকেল বন্ধ হয়ে যায়। পরে গাড়িটি ঠেলে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পরদিন গ্যারেজে দেখালে মেকানিক তেলে ভেজালের সন্দেহ করেন। ট্যাংক থেকে তেল বের করলে তাতে কেরোসিনের মিশ্রণ পাওয়া যায় বলে তিনি দাবি করেন।
একই ধরনের অভিযোগ করেন অন্য আর একজন মোটরসাইকেল চালক রাজু আহমেদ। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার তেল নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর থেকেই তার মোটরসাইকেল স্টার্ট নিচ্ছিল না। পরে গ্যারেজে নিয়ে পরীক্ষা করে ট্যাংকের ভেতর কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যায়। বার বার স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ।

কথিত আছে এই পাম্পের মালিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনিভাবে ভাবে বিভিন্ন সময় তার পাম্প পরিচালনা করেন , কিন্তু কেউ কোনও প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারেনা, ভুক্ত ভোগীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
এ বিষয়ে চৌগাছা ফিলিং স্টেশনের কোষাধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, আগামীকাল নতুন তেলের ডিপো আসবে। নতুন তেল এলে যেসব গ্রাহকের অভিযোগ রয়েছে তাদের তেল পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।

কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন