জনাব তারেক রহমানের দেশে ফেরা
‘নেতা আইছেন, এখন দেশটা ঠান্ডা হইয়া যাইব‘
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান দেশের মাটিতে পা রাখার অনেক আগে থেকেই রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে শুরু করে কুড়িল, খিলক্ষেত, তিনশ ফুট সড়ক, বাড্ডা সবখানেই মানুষের ঢল। কারও হাতে পতাকা, কারও কণ্ঠে স্লোগান। দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটেছে এই অনুভূতিটাই ছিল সবচেয়ে বেশি
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ভিড় জমতে থাকে। কেউ এসেছেন ভোরে, কেউ আগের দিন রাতেই। অনেকেই জানালেন, তারা নিশ্চিত ছিলেন না নেতাকে কাছ থেকে দেখতে পারবেন কিনা
অনেকের কাছেই তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন কেবল অতীতের স্মৃতি নয় বরং ভবিষ্যতের আশা। রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজ উদ্দিন মোবারক বলেন, ‘মনে হচ্ছে দীর্ঘ সংগ্রামের একটা অধ্যায় শেষ হয়ে নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। ভাষায় বোঝানো কঠিন এই অনুভূতি।’
খুলনা থেকে আসা জহিরুল ইসলাম একই সুরে বলেন, ‘নেতা যখন দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশে ফেরেন, তখন সাধারণ মানুষও সেটাকে নিজের বিজয় মনে করে। আজ আমরা আবার একত্রিত হয়েছি।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর থেকে ছুটে আসা আবুল কালাম আজাদ প্রথম সকালকে বলেন, ‘এটা শুধু একজন নেতার দেশে ফেরা না। এটা আমাদের দীর্ঘ অপেক্ষার পূর্ণতা। এই দৃশ্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
তারেক রহমান যখন হাঁটার গতিতে চলা বাসের ভেতর থেকে হাত নাড়ছিলেন, তখন ডিভাইডারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মানুষ চিৎকার করে উল্লাস করছিল। কেন এত উল্লাস জানতে চাইলে মোজাক্কের হোসেনের উত্তর, ‘নেতা আইছেন, এখন দেখবেন দেশটা ঠান্ডা হইয়া যাইব।’
তারেক রহমানের কাছে প্রত্যাশা কী– এই প্রশ্নে মাহমুদুর রহমান বলেন, তাঁর বাবার আদর্শটা ধরে রাখবে, এই আশা সবাই করে। কৃষকদের মূল্যায়ন করবে, জিনিসপত্রের দাম কমবে এটাই আমাদের চাওয়া। নিজেদের টাকায় ৪৮ জন মিলে বাস ভাড়া করে ঢাকায় এসেছেন বলে জানান এই কৃষক।

জামালপুরের মেলান্দহ থেকে ভ্যানচালক মো. বিল্লাল এসেছেন এক বিএনপি নেতার ভাড়া করা বাসে। তাঁর কথায় উঠে আসে জীবনযাপনের চাপ আর রাজনীতির বাস্তবতা। তিনি বলেন, ‘জিনিসপত্রের দাম এত বেশি, আমাদের মতো গাঁওয়ের মানুষ টিকতে পারি না।’ নিজেকে বিএনপি কর্মী পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, মামলা আর ভয়ভীতির অভিজ্ঞতা তাঁকে আজকে এখানে এনেছে।
এই ভিড়ে চোখে পড়েছে শিশুদেরও। সকাল সকাল সেজেগুজে ৩০০ ফুট সড়কে এসে হাজির ১১ বছরের শিশু আজরীন খান রুহি। অস্থির দৃষ্টিতে সে বারবার সামনে তাকাচ্ছে। জিজ্ঞেস করতেই জানা গেল, তারেক রহমানকে দেখতে এসেছে,
তার মতো অনেক শিশুই ৩০০ ফুট সড়কে ভিড় জমায়। কেউ অভিভাবকদের সঙ্গে এসেছে, কেউ বন্ধুর সঙ্গে।

কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন