খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

যশোরে বিএনপির সম্ভাব্য প্রাথমিক মনোনয়ন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্য

হাফিজুর রহমান(যশোর প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:১১ অপরাহ্ণ
যশোরে বিএনপির সম্ভাব্য প্রাথমিক মনোনয়ন নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্য

যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপির প্রার্থিতাপ্রত্যাশী ছিলেন চারজন। আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি। বাকি তিনজন দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও তৃপ্তির প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন না। চূড়ান্ত মনোনয়নের আশায় এই তিন প্রার্থীই কোমর বেঁধে নতুন করে মাঠে নেমেছেন। ফলে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে।

শার্শার মতো কোন্দল যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা), যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনেও। এই তিনটি আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল এখন প্রকাশ্যে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে যশোরের ছয়টি আসনের পাঁচটিতে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। ফাঁকা আসন নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ঘোষিত পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে চূড়ান্ত সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে বিরোধ তুঙ্গে। ঘোষিত প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা থাকলেও প্রার্থিতাবঞ্চিতরা প্রার্থি পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। বঞ্চিতরা নিজ দলের প্রার্থীকে ব্যর্থ প্রমাণে প্রতিদিনই সভা-সমাবেশে একে অন্যকে ঘায়েল করে দিচ্ছেন বক্তব্য। এতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাড়ছে উত্তাপ-উত্তেজনা।

গত বছরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই যশোর-১ আসনে চারজন নিজ নিজ বলয় নিয়ে মাঠ গোছানোর কাজ করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থিতা না পাওয়ায় হতাশ শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির, সাবেক সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটনের অনুসারীরা।

শার্শা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির বলেন, ‘তৃপ্তিকে দল প্রাথমিক সম্ভাব্য প্রার্থিতা দিয়েছে। তাঁর প্রার্থিতায় দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা খুশি নয়। এ জন্য তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের এখনো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটের মাঠে নামানো সম্ভব হয়নি। আমরা ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি।’

এদিকে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানা মুন্নী। দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েই একবার ঝিকরগাছা আরেকবার চৌগাছার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইতে ছুটে বেড়াচ্ছেন মুন্নী। তবে এ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন অন্য প্রার্থিতাপ্রত্যাশী অন্যরা। এ কারণে তাঁরা এখন পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেননি। প্রার্থিতা পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে ১০ নভেম্বর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেছেন ঝিকরগাছা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমরান সামাদ নিপুন ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল সালাম। নতুন করে প্রার্থিতার দাবিতে গত শুক্রবার আসনটিতে মোটরসাইকেল শোডাউন করেছেন যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান। পৃথক কর্মসূচি করে বেড়াচ্ছেন আরেক প্রার্থী চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলামও। সম্ভাব্য প্রার্থিতাবঞ্চিত প্রার্থীদের কর্মীরা বলেছেন, আসনটিতে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. মোসলেহউদ্দিন ফরিদ। তিনি নিজের প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই আসনে বেশ কিছুদিন ধরে জনসংযোগ চালিয়ে আসা মিজানুর রহমান খান এখনো মনে করছেন, দল প্রার্থী পুনর্বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য প্রার্থিতা দেওয়ার আগেই তারেক রহমান নিজে আমাকে এলাকায় কাজ করতে বলেছেন। সে অনুযায়ী কাজ করছি।’ জানতে চাইলে সাবিরা সুলতানা বলেন, ‘জনসংযোগে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি। প্রতিটি পথসভায় নারী ও পুরুষের উপস্থিতি প্রায় সমান।’

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন কৃষক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব। তিনি জোরেশোরে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নেমে পড়েছেন। এই আসনে আরও দুজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তাঁদের একজন ঢাকা মহানগরের (দক্ষিণ) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ। তিনি আইয়ুবের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তবে আরেক মনোনয়নপ্রত্যাশী জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ও অভয়নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমানকে দলের সম্ভাব্য প্রার্থীর সঙ্গে কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ। প্রায় এক যুগ পরে এলাকায় ফিরে তিনি গণসংযোগ শুরু করেছেন। এই আসনের দুজন প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু ও কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ প্রার্থিতা না পাওয়ায় তাঁর অনুসারীদের এখনো শ্রাবণের পক্ষে কাজ করতে দেখা যায়নি।

ব্যতিক্রম যশোর-৩

যশোর-৩ (সদর) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ছেলে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি একমাত্র মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় এই আসনে কোন্দল নেই। অমিতকে ঘিরে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।

যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। এই আসন জোটের শরিক দলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে, নাকি শেষ মুহূর্তে দলের কোনো চমক থাকছে, সেটি পরিষ্কার নয়। গুঞ্জন রয়েছে জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহকারী মহাসচিব ও এই আসনের সাবেক এমপি, সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মুফতি ওয়াক্কাসের ছেলে মাওলানা রশিদ আহমাদকে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হবে এমন আশায় এখনো মাঠে কাজ করছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদ মোহাম্মদ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখার সেলিম অগ্নি।

যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু বলেন, সম্ভাব্য প্রার্থিতা না পাওয়া প্রার্থিতাপ্রত্যাশীদের মধ্যে ক্ষোভ, হতাশা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত প্রার্থিতা দেওয়ার পর নেতা-কর্মীরা ব্যক্তি নয়; সবাই ধানের শীর্ষের পক্ষে কাজ করবে।

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।