যশোর-৬কেশবপুর আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পূর্ণ বিবেচনার দাবি কেশবপুর সাধারণ নেতাকর্মী ও ভোটারদের
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি যে প্রাথমিক সম্ভব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তার মধ্যে যশোর -৬ কেশবপুর আসন থেকে যে প্রার্থীর নাম ঘোষনা করা হয়েছে,তাতে করে বিএনপির সাধারণ নেতা কর্মী সমার্থকসহ সাধারণ জনগণ এতে হতাশ।দীর্ঘ সময় বিএনপি দলকে যশোর -৬ আসনে নেতৃত্ব দেওয়া, দলকে সংগঠিত রাখা দলের দুঃসময়ে নেতা কর্মীদের দেখাশুনা করা,মামলার খরচ বহন করা তাদের পরিবারের খরচ বহন সব কিছু করেছেন কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ,যশোর -৬ আসনে প্রাথমিক সম্ভব্য প্রার্থী কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ কে মনোনয়ন দেওয়ার কারণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে কেশবপুর জুড়ে। সাধারণ কয়েক জন ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায়, যে আবুল হোসেন আজাদ দীর্ঘ সময় আমাদের সাথে আছে।যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে আমরা শ্রাবণকে চিনি না,যার কারণে মনোনয়ন পূর্ণবিবেচনা করে,আবুল হোসেন আজাদকে দেওয়া উচিত ।
৮নং সুফলাকাঠী ইউনিয়নের কয়েকজন নারী ভোটারের সাথে কথা বললে তারা জানান,কেশবপুর জুড়ে নারী ভোটারদের মাঝে এক জাগরণ সৃষ্টি করেছেন আবুল হোসেন আজাদের সহধর্মিনী রেহানা আজাদ,যদি মনোনয়ন পূর্ণ বিবেচনা না করা হয় তাহলে নারী ভোটাররা জামাত ইসলামের প্রার্থীর দিকে ঝুকে যেতে পারে,আবুল হোসেন আাজাদকে মনোনয়ন দেওয়া হলে নারী ভোটারদের সর্বোচ্চ ভোট কেশবপুর আসন থেকে পাবে বলে আশা করা যায়।
নয় নম্বর গৌরিঘোনা ইউনিয়নের সাধারণ ভোটার ও নেতা কর্মীরা বলেন,আমরা আাজাদ ভাই কে মনোনয়ন না দেওয়াই হতাশ।যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তার কেশবপুরে কোন অবদান নাই,তিনি বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গণসংযোগ করছে কেশবপুরের কোন বিএনপির নেতাকর্মী তার সাথে গণসংযোগে নাই।কেশবপুরে বিএনপি’র কোন নেতাকর্মীর সাথে তার তেমন কোন সখ্যতা নাই।তাই যশোর -৬ আসনে আবুল হোসেন আজাদকে পূর্ণ বিবেচনা করে মনোনয়ন দেয়া হোক তা না হলে কেশবপুরে ধানের শীষের ব্যাপক ভাবে পরাজয় বরণ করা লাগবে।
৫নং মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ ভাইয়ের বিকল্প কেউ নাই। কারণ যিনি মনোনয়ন পেয়েছেন তাহার কেশবপুরে সাধারণ ভোটারদের সাথে কোনরকম সম্পর্ক নাই ।তাই দ্রুতই মনোনয়ন পূর্ণ বিবেচনা করে আাজাদ সাহেবকে মনোনয়ন দিয়ে বিএনপির এই আসনকে আজাদের মাধ্যমে তারেক রহমানকে উপহার দেওয়ার জন্য কেশবপুর বাসীকে সুযোগ দেওয়া হোক।
৭ নং পাঁজিয়া ইউনিয়নের সাধারণ ভোটার ও নেতা কর্মীরা বলেন,যখন দলের দুঃসময়ে ১৮ সালের নির্বাচনে গ্রেফতার মামলা হামলার ভয়ে কেশবপুরে কেউ সেদিন মনোনয়ন নিতে রাজি হয়নি। তখন কেশবপুর আসন থেকে আবুল হোসেন আজাদ বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার দূর সাহস দেখিয়ে ছিল আজাদ ভাই। এখন দলের সুদিনে কেশবপুর থেকে মনোনয়ন নেওয়ার লোকের অভাব হচ্ছে না। আমরা চাই কেশবপুর আসনে আজাদ ভাইকে পূর্ণ বিবেচনা করে মনোনয়ন দেয়া হোক তা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়া হবে।
এদিকে কেশবপুরের উপজেলা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে কেশবপুর ৪৬ বছরে বিএনপি কখনো ক্ষমতায় আসতে পারে নাই, যদি এইবার আবুল হোসেন আজাদ মনোনয়ন পেত তাহলে ৪৬ বছরের খরা কেটে যেতো বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।কারণ আজাদ সাহেব এবং তাহার সহধর্মিনী যেভাবে কেশবপুরে পাড়া মহল্লা গ্রামগঞ্জে প্রচার প্রচারণায় মাঠ তৈরি করেছিল, তাতে বিএনপিকে এইবার যশোর-৬ আসনে জয় ছিনিয়ে আনা বিএনপির জন্য সহজ হতো।

কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন