খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

ক্যাম্পে সিএনজি সিন্ডিকেট: অনিয়ম-দুর্নীতিতে রোহিঙ্গা চালকদের রাজত্ব

শেখ শহীদুল হক বাবলু নিজস্ব প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
ক্যাম্পে সিএনজি সিন্ডিকেট: অনিয়ম-দুর্নীতিতে রোহিঙ্গা চালকদের রাজত্ব

এপিবিএন’র মাসোহারা বাণিজ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয়রা**

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে সিএনজি পরিবহন খাতে ভয়াবহ অনিয়ম-দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। আরআরআরসি কর্তৃক সীমিতসংখ্যক অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি থাকা সত্ত্বেও এপিবিএন যোগসাজশে অনুমোদনহীন শতাধিক সিএনজি অবৈধভাবে চলাচল করছে—যার অধিকাংশের চালক রোহিঙ্গা এবং মালিকানাও রোহিঙ্গাদের।

ক্যাম্প-১১, ১২ ও ১৮ নং ক্যাম্পে আরআরআরসি থেকে অনুমোদিত সিএনজি রয়েছে মাত্র ১১টি। কিন্তু বাস্তবে পুলিশ ম্যানেজ করে প্রতি মাসে ১৫,০০০–৩৫,০০০ টাকা উৎকোচ দিয়ে ২৮ থেকে ২৯টি সিএনজি চলাচল করছে।এদের মধ্যে রোহিঙ্গা ড্রাইভার এবং রোহিঙ্গা মালিকানাধীন সিএনজি রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায়। ক্যাম্প-১২ এর বাসিন্দা রোহিঙ্গা আলম ও ইয়াছিন—এই দুই জনের মালিকানাধীন ৯টি সিএনজি নিয়মিত চলছে। অভিযোগ রয়েছে, আলম বাঙ্গালী মেয়েকে বিয়ে করে অবৈধভাবে স্থানীয় পরিচয়ে বসবাস করলেও তার কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অনুমোদনহীন যানবাহনেই রমরমা বাণিজ্য রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিরাজমান সূত্র মতে, আরআরআরসি অফিসের অনুমতি বাতিলের পরও কিছু সিএনজি এপিবিএনকে মাসোহারা দিয়ে চালু রেখেছে। এমনকি নাম্বার প্লেটবিহীন (অনটেস্ট) সিএনজিও দেখা যাচ্ছে রোহিঙ্গা বাজারের রাস্তায়।এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি, অস্ত্র- মরণ নেশা পাচার, মানবপাচারসহ নানান অপরাধ চক্রের কার্যক্রম সহজ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

২০২২ সালের ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাহী কমিটির ১৪ নং সিদ্ধান্তে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল—শর্তসাপেক্ষে সীমিতসংখ্যক সিএনজি চলবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণ করবে।কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়—এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এমন কি অনুমোদনের কপি জালিয়াতির মাধ্যমে ও এপিবিএনকে মাসোহারা দিয়ে অনুমতি ছাড়ায় চলাচল অবাধে সিএনজি রোহিঙ্গারা অবৈধ উপায়ে সিএনজি কিনে নিজে চালান বা অন্য চালক দিয়ে চালান

স্থানীয়দের জীবনযাত্রার উপর বিরূপ প্রভাব প্রভাব তৈরী হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় চালক জানান —রোহিঙ্গা ড্রাইভাররা অবৈধ সুবিধা নিয়ে কম ভাড়ায় গাড়ি চালাচ্ছে। এতে আমরা কর্মহীন হচ্ছি। বিভিন্ন সময় স্থানীয় ড্রাইভার দের উপর নেমে আসে অপহরণের মত ঘঠনা। চাঁদাবাজি ও ঘুষের টাকায় অপরাধীদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বাড়ছে উদ্ভেগ জনকহারে । ক্যাম্প এলাকা পরিণত হচ্ছে অপরাধের অভয়ারণ্যতে।

ক্যাম্প-১১,১২,১৮ তে ২৮-২৯টি সিএনজি চলাচল করছে, যেখানে আরআরআরসি মহোদয়ের অনুমতি রয়েছে ১০-১১টি সিএনজির। বাকি গুলো এপিবিএন পুলিশ ম্যানেজ করে চলাচল করছে, যাদের অধিকাংশ সিএনজি চালক ও মালিক রোহিঙ্গা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই বিষয়ে ৮ এপিবিএন এর ভারপ্রাপ্ত সিও জনাব রিয়াজ উদ্দিন ও ক্যাম্প-১২,১৮ এর ক্যাম্প ইনচার্জ জনাব মিনহাজ উদ্দিন মহোদয়ের বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে নিশ্চিত করেন।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে যে সব শঙ্কা তৈরি হচ্ছে তা হল….
➤পুলিশের মধ্যে অবৈধ আয় করার প্রবণতা স্থায়ী হয়ে যেতে পারে যা এই জনপদের বড় একটি চ্যালেন্জ তৈরি হচ্ছে।
➤স্থানীয় ও রোহিঙ্গা অপরাধী গোষ্ঠীরা ক্যাম্পের পরিবহন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অপরাধের স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠিত করছে।
➤ভবিষ্যতে ক্যাম্প ও হোস্টের আইনশৃংখলা মারাত্মকভাবে অবনতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছ।

*দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ ও সমাধানে ক্যাম্প প্রশাসনের প্রতি আহ্বান…*
৮ ও ১৪ এপিবিএন এর আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে সরকারি নীতিমালা বহির্ভূত সিএনজি গাড়ি ব্যাপকভাবে বেড়েই চলেছে। অবিলম্বে সমাধান না করলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মধ্যে অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবে…

১। আরআরআরসি কর্তৃক অনুমোদন বিহীন সিএনজি এবং নীতিমালা বহির্ভূত রোহিঙ্গা চালক ও রোহিঙ্গা মালিকানাধীন সিএনজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
২। প্রশাসনের যে সকল অফিসার দূর্নীতির সাথে জড়িত, তদন্ত পূর্বক তাদেরকে শাস্তির আনা।
৩। আরআরআরসি কর্তৃক সিএনজি গাড়ি অনুমোদনের ক্ষেত্রে ৮ ও ১৪ এপিবিএন এর আওতাধীন ক্যাম্পে চলাচলের রোডম্যাপ আলাদা করা।
৩। ক্যাম্পে ইনচার্জ কর্তৃক নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা। অভিযান পরিচালনা করার সময় জালিয়াতি বন্ধে আরআরআরসি কর্তৃক অনুমোদনের মেইন কপি নিশ্চিত করা, অন্যথায় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪। প্রতিটি সিআইসি অফিস ও চেকপোস্টে আরআরআরসি কর্তৃক অনুমোদিত সিএনজি গাড়ির অনুমোদন কপি সংগ্রহে রাখা আছে।। প্রশাসন এর সুবিধার জন্য প্রকাশ কর হলো।।

চৌগাছায় গাছি সমাবেশে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক

খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
খেজুরের গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে সরকারের উদ্যোগ।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেছেন, চৌগাছায় খেজুরে গুড় সংরক্ষণ, গাছিদের সহযোগিতা, গুড়ের বাজারজাতকরণে সরকারের পরিকল্পনার রয়েছে। গাছিদের স্বাবলম্বী ও মূল্যায়ন করতে উদ্যোগ নেবে সরকার। ইতোমধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের মধ্যে চৌগাছা উপজেলাকে বেছে নিয়েছেন। তাই পিছনে ফিরে তাকানোর দরকার নেই। কৃষির উন্নয়নের জন্য উপজেলায় অনেক কিছু করা হবে। সেটা দ্রুতই হবে। তিনি সোমবার সকাল ১১:৩০ মিনিটে উপজেলার ০৭ নং পাতিবিলা ইউনিয়নের হায়াতপুর গ্রামের ঘুয়াখালী নামক বাওড় সংলগ্ন বটতলায় জি আই পণ্য খেজুরের গুড় উৎপাদনকারী গাছিদের সমাবেশ ও খেজুরের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগাতে হবে। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছোট ছোট কাজকে বেশি পছন্দ করেন। কারণ ক্ষুদ্র কাজগুলো সুন্দরভাবে করলে গোটা বাংলাদেশের উন্নয়ন ভালো হওয়া সম্ভব। অত্র অঞ্চল খেজুর গুড়ের পাশাপাশি সবজি ও বিভিন্ন ফলের জন্য বিখ্যাত। কৃষকের কথা চিন্তা করে অত্র অঞ্চলে মিনি কোল্ড স্টোর নির্মাণ করা হবে।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি গাছিদের উদ্যেশ্যে বলেন, দেশে বড় একটি সমস্যা নিপা ভাইরাস। খেয়াল রাখতে হবে বাদুড় থেকে যেন নিপা ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে। তিনি বলেন, খেজুরের রস থেকে শুধু গুড়ই উৎপাদন হয়না। এ থেকে বিভিন্ন সিরাপ ও খাদ্য তৈরি হয়। গুড়ের সাথে সেগুলো আমরা বিদেশে রপ্তানি করব। কয়েকজন উদ্যোক্তার সাথে কথা হয়েছে। তাঁরা এ বিষয়ে আন্তরিক। তিনি বলেন খেজুর গাছের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সকল পেশাজীবীদের সহযোগিতা করতে হবে।

সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএপির সভাপতি এম এ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাও. মোঃ গোলাম মোর্শেদ, গাছি মিজানুর রহমান বাবু, গাছি আব্দুল রহমান গাজী প্রমূখ।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনিব, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী বাবুল হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হাসান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, পাতিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার রাজু আহাম্মেদ, কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলি আকবর, বিএনপি নেতা খায়রুল ইসলাম সহ দুইশো জন গাছি উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি খেজুর গাছ চাষিদের মধ্যে খেজুর গাছের চারা ও ১২ জন গাছির মধ্যে ভাঁড় ও গাছি দা বিতরণ করেন।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।