খুঁজুন
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩

আওয়ামী ও বিএনপির রশি টানাটানিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চৌগাছা পৌর পশুহাট

আহাম্মেদ, যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ
আওয়ামী ও বিএনপির রশি টানাটানিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে চৌগাছা পৌর পশুহাট
যশোরের চৌগাছার ঐতিহ্যবাহি পৌর পশুহাট অবশেষে জায়গা সংকটের কারনে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
কালী গঞ্জ বারোবাজারের আওয়ামীলীগ নেতা লালু ও চৌগাছার  বিএনপি নেতা আতাউর রহমান লাল যৌথ ভাবে ইজারা নিয়ে  বাবসা পরিচালনা করে আসছেন চৌগাছার বিএনপি নেতা লাল, তিনি তার শশুর ও অন্যদের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে  পশু হাট পরিচালনা  করে আসছেন, কিন্তু ৫ ই আগস্ট এর পর থেকে চৌগাছার বিশিষ্ট বিসিআইসি  সার ডিলার  লেন্টু কাঁচাবাজার এর পাশা পাশি পশু  হাট বেশি নিলামে ইজারা নেওয়ার জন্য টাকা জমা দেই, কিন্তু আওয়ামী বিএনপি পন্থী লাল সুকৌশলে চৌগাছা পৌর সভা থেকে একটা লিখিত পেপার্স হাতিয়ে নেই, পরে তা জানতে  পেয়ে  সার বাবসায়ী উচ্চ আদালতে মামলা করেন, যার কারণে  মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত গো হাটার  খাজনা টাকা  আদায় পৌর প্রশাসকের  হাতে চলে যায়, ৪ সপ্তাহের মধে মামলার শুনানি শেষ করার জন্য উচ্চ আদালত নির্দেশ দেন   
কিন্তু আওয়ামী বিএনপি  পন্থী লাল তার  শশুরালয় উপজেলা প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ এর সাবেক চেয়ারম্যান ও নেতা শুকুর আলী মৃধার জমির পরিমাণ বেশি হওয়ায় গো -হাটার আঁশে পাশের জমি  আর  লিজ দিবে না  কারণ জামাই  বাবু বিএনপি র নেতা  লাল এর হাট না থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকায়,
হাটে প্রবেশের প্রধান গেইট তারা বড়বড় বাঁশ আর পেরেক মে রে বন্ধ করে দিয়েছে।
এলাকা সূত্রে জানা যায় উপজেলা প্রশাসন একটা  চক্র লে টাকার বিনিময়ে হাট পাবার পক্ষে কাজ করছেন বলে  এলাকাবাসী  জানান
ফলে কুরবানীর আগে এমনকি পরেও আদৌ চৌগাছায় পশুহাট বসবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে শংসয়।
তবে অনেকে মনে করছেন হাট নিয়ে বিবাদমান দুই পক্ষের রশি টানাটানির ফলে এই বেহালদশা ক্ষতি গ্রস্থ হবে পৌরসভা তথা এ জনপদের মানুষ।
এলাকাবাসি বলেন লাল চেয়ারম্যান  দীর্ঘ আওয়ামীলীগ এর শাসনামলে হাটের ইজারা নিয়া খাজনা আদায় করেছেন, এখন সবাই পরিবর্তন চাই , ফলে লালের উচিৎ কালীগঞ্জের ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ এর নেতার পক্ষে কাজ না করে চৌগাছা উপজেলা বাসির যে করো অধীনে পশু হাটটি পরিচালিত হোক
জানা গেছে, চৌগাছা মহেশপুর সড়কে অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে বছরের পর বছর ধরে চৌগাছা পৌর পশুহাট চলে আসছিলো।
পৌরসভার মাত্র ৩০ শতাংশ জমি আর  প্রায় ১০ বিঘা জমি ছিলো  লাল চেয়ারম্যান এর শশুর সহ নিকট আত্মীয় থেকে লিজ নেয়া মৃধা দের কাছ থেকে   
বুধবার  আওয়ামী বিএনপির পন্থী জামাই লাল বাবুর হাতে খাজনা আদায় নাই বলে জমি মালিক গণের নাম ভাংগিয়ে আর জমি দিবেন না মর্মে তাদের জমিতে প্রবেশ করা প্রধান সড়কটি বাঁশ দিয়ে বেড়া তৈরী করে দিয়েছে।
আর হাটের ভিতরে গরু বেধে রাখা বাঁশখুটি খুলে নিয়ে যেতে শুরু করেছে  আওয়ামীলীগ নেতা ও বিএনপির সুবিধা ভোগী লাল  চেয়ারম্যান যা পূর্বের হাট মালিক।
ফলে কুরবানীর আগে আর চৌগাছা পশুহাট বসবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে শংসয়।
চৌগাছায় পশুহাট বসবে না এমন খবরে দিনের বেশির ভাগ সময় পশুহাটের স্থানে স্থানীয় জনতা, গরু ক্রেতা বিক্রেতা ও ক্ষুদ্র ব্যবসা য়ীরা ভিড় করেন।
তাদের সকলের একটিই দাবি চৌগাছাবাসির প্রান বলে খ্যাত এই পশুহাট যেন নষ্ট না হয়। হাটকে কেন্দ্র করে শতশত মানুষের রুজি রুটির ব্যবস্থা হয়েছে, হাট বসবে না এমন খবরে তারা ছুটে এসেছেন এবং অনেকে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
পৌর কর্তৃপক্ষ বলছেন বিগত বছর গুলোতে জমি মালিকগন যারা হাট চালিয়েছে তাদের সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিলো।
এখন তারা হঠাৎ করে জমি লিজ দিবেনা এবং তাদের সমুদয় জমি ঘিরে দিয়েছে এতে করে হাট বসানো তো বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে।
উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, নানা চড়াই উতরাই পার করে চৌগাছা পৌর পশুহাট মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে।
হাট বসাতে পৌরসভা যখন জমি খুজে পেতে ব্যর্থ তখন গোবিন্দ কুমার ও আতাউর রহমান লাল বর্তমান হাটের পাশে ৩০ শতক জমি পৌরসভার নামে ক্রয় করে দেন। এই সুবাধে প্রতি বছর লাল চেয়ারম্যান প্রায়  নেম মাত্র হারে হাট ইজারা পেয়ে থাকেন   
আওয়ামী বিএনপি আতাউর রহমান লাল পৌর কর্তৃপক্ষের নিকট হতে পশুহাট নতুন বাংলা সনে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা দিয়ে চুক্তি করে নেন। আর এতে বাধসাধে বিএনপি কর্মী আতিকুর রহমান লেন্টু। সে আরও বেশি টাকা দিবেন মর্মে মহামান্য আদলতে একটি রিট করেন।
আদালত ওই চুক্তি স্থগিত করার পাশাপাশি পৌরসভা কে খাস আদায়ে নির্দেশনা দেন। বাংলা সনের প্রথম থেকেই পৌরসভা খাস আদায় করে আসছিলো।
সূত্র জানায়, গত সোমবার মহামান্য আদালত থেকে একটি নির্দে শনা এসেছে পুনরায় পশুহাট টেন্ডার করার জন্য।
ইতোমধ্যে পূর্বের হাট মালিকরা আর টেন্ডারে যাবে ননা এমনকি হাটও চালাবেন না মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।
জমি মালিক লাল চেয়ারম্যান এর শশুর  আওয়ামীলীগ নেতা শুকুর চেয়ারম্যান,আতিয়ার মৃধা, মন্টু মৃধা,ওলিয়ার মৃধা, আব্দুল করি ম, আজিত হোসেন বলেন,চেয়ারম্যান লাল যখন হাট চালাবেনা তখন এই জমি আমরা অন্যত্র লিজ দিবোনা।
বিগত হাটের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক সাবেক মেম্বর গোবি ন্দ কুমার রাহা বলেন, পৌরসভার সাথে আমরা চুক্তি বদ্ধ হওয়ার পর এক জন ব্যক্তির কারনে আদালত সেটি স্থগিত করলো। এখন আদালত রিটেন্ডারের আদেশ দিয়েছে।
পৌরসভা রিটেন্ডার দিবে আমরা কি করবো সেটি ভেবে দেখবো এরই মধ্যে জায়গা মালিকরা জমি লিজ দিবেনা বলে জানিয়ে দিয়ে ঘিরে দিয়েছে।
রশি টানাটানি ছেড়ে চৌগাছায় পশুহাট কি ভাবে রাখা যায় সেদিক সকলের নজর দেয়ার আহবান জানিয়েছেন হাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও উপজেলার সচেতন মহল।

এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ১১, মোতায়েন ১০ প্লাটুন বিজিবি

কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

শাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ, বিজিবি ও বিএনপির সংঘর্ষ, আহত ২০

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মাসিক বেতনের দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের তৃতীয় দিনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, মৌচাক ও কোনাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকেরা বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেন। সকাল ১০টা ও সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ ও বিজিবির সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে এক বিজিবি সদস্য ও তিন সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে ছাঁটাই ও কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ করা। সংঘর্ষের সময় শ্রমিকদের ইটের আঘাতে কবির নামের এক বিজিবি সদস্য আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে নাগরিক টেলিভিশনের দেলোয়ার হোসেন ও ইনকিলাবের আব্দুল মান্নান রয়েছেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবির পাশাপাশি বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে নামেন। তাঁদের বিরুদ্ধে লাঠিসোঁটা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকদের ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়া হলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। অবরোধে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি, জেলা ও মহানগর পুলিশ এবং শিল্প পুলিশ কাজ করছে।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। শ্রমিকদের ইটের আঘাতে এক বিজিবি সদস্য আহত হয়েছেন। নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

হাফিজুর রহমান, কেশবপুর, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে জমি নিয়ে বিরোধ ও সীমানা প্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ।

যশোরের কেশবপুর থানায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জবরদখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

উপজেলার মূলগ্রামের মো. আমিনুর রহমান (৪৩) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজার এসএ ১০৯৬ নম্বর খতিয়ান এবং এসএ ১১৬৮ নম্বর দাগের (আরএস খতিয়ান নং-১৮০, আরএস দাগ নং-২৮৯৮) ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

ওই জমি বাদীর পিতা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে ক্রয় সূত্রে মালিক হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতা মারা যাওয়ার পর থেকে বিবাদীরা ওই জমি জবরদখলের পাঁয়তারা চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে ১নং বিবাদী মো. জিয়ার সরদারের নেতৃত্বে অন্যান্য বিবাদীদের কু-পরামর্শে বাদীর ১০ শতক জমির সীমানা প্রাচীর ভেঙে প্রায় ৪০,০০০ টাকার আর্থিক ক্ষতি সাধন করা হয়।

এ সময় প্রতিবাদ করতে গেলে বিবাদীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত হলেন মো. জিয়ার সরদার (৩০), মো. হযরত আলী সরদার (৬৫), মো. আঃ গণি সরদার (৬২), মো. ওসমান সরদার (৪৯), মো. তুরফান সরদার (৫৫), মোসা. সখিনা বিবি (৪৭), সুজন বিবি (৫৩), হাজেরা খাতুন (৪৫) এবং তারাজান বিবি (৫০); সকলের বাড়ি কেশবপুর থানার ভোগতী নরেন্দ্রপুর এলাকায়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন জমির সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

হাফিজুর রহমান,, যশোর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
যশোর-৬ আসনে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুলতানা আহমেদ এর প্রতিনিধি আকরাম খান

কেশবপুরে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদ এর জনস্বার্থ বিষয়ক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান।


Waterproof mobile Cover
01830 393439

সুলতানা আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংসদ সদস্যের পক্ষে কেশবপুরের জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও প্রশাসনিক কাজে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন আকরাম খান। এ কাজে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও কামনা করা হয়েছে।।