ফুলবাড়িতে পৈত্রিক পুকুরে অবৈধ মাছ শিকার, প্রতিকার চেয়ে গৃহবধু’র সংবাদ সম্মেলন।

মোঃ সামিউল ইসলাম, দিনাজপুর
প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ । ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত পুকুরে জোর পুর্বক অবৈধ্যভাবে মাছ শিকারের অভিযোগে প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আলাদীপুর ইউনিয়নের উত্তর বাসুদেবপুর গ্রামের আবু মোহাম্মদ দোহা সরকার এর স্ত্রী মোছা. সালমা আক্তার।

আজ মঙ্গলবার রাতে উত্তর বাসুদেবপুর গ্রামে তার নিজ বাড়ীতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোছা. সালমা আক্তার।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

তিনি বলেন, দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর মৌজাস্থ, জেএল নং-৬৮, খতিয়ান নং-এস.এ-৪৩২, দাগ নং-২৮২৯, রকম-পুকুর, পরিমান-১.০২ একর পুকুর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগদখলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করিয়া আসিতেছি।
কিন্তু উক্ত পুকুরে বাসুদেবপুর আবাসনের বসবাসকারী ১। মোঃ জাকির (৪০), পিতা-মৃত নজির উদ্দিন, ২। মোঃ রমজান আলী (৩৫), পিতা-মোঃ রফিক, ৩। মোঃ আরিফুল (৩৮), পিতা-মোঃ জয়নাল আবেদিন, ৪। মোঃ সুমন (৩৭), পিতা-অজ্ঞাত, ৫। মোঃ রাসেল (৩৩), পিতা-মৃত খবির, সর্ব সাং-বাসুদেবপুর, ডাকঘর-খয়েরবাড়ী, থানা-ফুলবাড়ী, জেলা-দিনাজপুর।
ব্যাক্তিরা প্রায় সময় আমার অবর্তমানে পুকুর হইতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে জাল দিয়ে পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যায়। মাছধরার বিষয়টি আমি জানতে পেরে আমি উক্ত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসা করতে

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

গেলে তাহারা আমার ক্ষীপ্ত হয়ে বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।
পরবর্তিতে আমি বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করি।
তিনি আরও বলেন, উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর হুকুমে তার অফিস সহকারী শামিম উক্ত ব্যক্তিগণকে ফোন করে মাছ ধরার বিষয়টি থেকে তাহাদেরকে বিরত থাকতে বলে।
কিন্তু উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ কোনো কথাতেই কর্ণপাত না করে একইরকমভাবে উক্ত পুকুরে মাছ ধরতে থাকে। পরবর্তিতে পুনরায় বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বললে সহকারী

বিজ্ঞাপন

কমিশনার (ভূমি) এর হুকুমে ২নং আলাদীপুর ইউনিয়নের তহসিলদার লুৎফর রহমান উক্ত ব্যক্তিবর্গকে পুকুরে মাছ ধরতে নিষেধ করে। কিন্তু তারপরও উক্ত ব্যক্তিগণ পুকুরে মাছ ধরা থেকে কোন ভাবেই বিরত হচ্ছে না। উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন কে তহসিলদার অবগত করলে তিনি এ বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নি। সর্বশেষ এরই ধরাবাহিকতায় পূর্বের হুমকি মোতাবেক গত ২৫/০৮/২০২৬ইং তারিখে ভোর ৬.০০টার দিকে মাছ ধরে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশের কাছে বারংবার অভিযোগ দেওয়ার পরেও কোন প্রতিকার না পেয়ে আপনাদের মাধ্যমে ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধান চাই।

সম্পাদক: মনজুর আলম, প্রকাশক: আমিন উদ্দীন ।  কপিরাইট © প্রথম সকাল কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন