যশোরের কেশবপুরে এক নাবালিকা মেয়েকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ । ৩:৫৫ অপরাহ্ণ

যশোরে কেশবপুরে সাতবাড়িয়া প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জি এম গোলাম হোসেন কর্তৃক এক নাবালিকা মেয়েকে দীর্ঘদিন যাবত ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্যাতন ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।নাবালিকা মেয়েটি একটি ৩২ পৃষ্ঠার লিখিত অভিযোগ কেশবপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেয়।কেশবপুর শিক্ষা অফিস থেকে একটি প্রতিনিধি টিম বিষয় টি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়।কিন্তু তদন্ত টিম নির্যাতিত নাবালিকা মেয়ে এবং তার পরিবারের কাছে কোন যোগাযোগ না করে, ধর্ষক জি, এম গোলাম হোসেনের সাথে সাক্ষাত করে, তদন্ত প্রতিবেদন একতরফা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।মেয়েটির কাছে নির্যাতন ধর্ষণের বিষয়ে জানতে বলেন,আমি আগে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়তাম,সেখান থেকে সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হই। আমি একদিন স্কুলে মাথা ঘুরে পড়ে যায়,তখন আমাকে স্কুলের অফিস রুমে নিয়ে যাওয়া হয়।স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন তার কোলের উপর আমাকে বসায়,তখন অফিস রুমে কেউ ছিলো না।তখন গোলাম হোসেন আমার বুকে হাত দেয়।এই ভাবে আমাকে গোলাম হোসেন কয়েক বছরে আট দশ বার ধর্ষণ করে। আমি এতদিন কাউকে কিছু ভয়ে বলিনি কারণ গোলাম হোসেন আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

Waterproof mobile cover

মেয়েটি আরও বলেন,আমি এই বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করে, ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়েছি।কিন্তু আমার বর্তমান স্কুল ও সাবেক স্কুল একই বাউন্ডারির ভিতরে হওয়ায়, গোলাম হোসেন আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি ও কুপ্রস্তাব দিয়েই চলেছে।আমি আর সহ্য করতে না পেরে আমার মা বাবাকে বিষয়টা বলি।এদিকে নির্যাতিত মেয়েটির মা বলেন আমার মেয়েকে দীর্ঘদিন যাবত যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণ করে আসছে প্রধান শিক্ষক গোলাম হোসেন।আমার মেয়ে আমাদের সাথে কখনো বলেনি কারণ তখন সে অনেক ছোট ছিল। এখন সে সহ্য করতে না পেরে আমাদের সাথে বলে। আমরা বিষয়টা শুনে আমি বাদী হয়ে কেশবপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে একটা অভিযোগ করি। কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিস কোনরকম তদন্তবাদে আমাদের কোন বক্তব্য না নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে। আমরা মনে করি গোলাম হোসেন টাকার বিনিময়ে প্রতিবেদনটি উল্টে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে। এদিকে মেয়েটিও তার পরিবার বলেন এখন আমার পরিবার বিচার চাইতে গেলে, বিভিন্নভাবে হুমকি সম্মুখীন হচ্ছি।এই বিষয়ে অভিযুক্ত গোলাম হোসেনের কাছে জানতে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

সম্পাদক: মনজুর আলম, প্রকাশক: আমিন উদ্দীন ।  কপিরাইট © প্রথম সকাল কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন