গাছ বিক্রির অর্থ নিয়ে বিরোধ:গাছ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

বাগমারা প্রতিনিধি, রাজশাহী
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬ । ১:০৪ পূর্বাহ্ণ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার শুভডাঙ্গা ইউনিয়নে গাছ বিক্রির টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গাছ ব্যবসায়ী রুস্তম আলী ও তার ছেলে ফিরোজের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।তবে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে অর্থ লুটপাটের অভিযোগও করেছেন।ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।অভিযোগকারী গাছ ব্যবসায়ী রুস্তম

Waterproof mobile Cover
01830 393439

আলী জানান, উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের মানিক সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ১০-১২টি গাছ ৩৭ হাজার টাকায় ক্রয় করেন।চুক্তি অনুযায়ী তিনি প্রথমে ২৯ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করেন এবং অবশিষ্ট ৭ হাজার ৫০০ টাকা গাছ কাটা শেষে দেওয়ার কথা ছিল।ওই টাকা পাওয়ার পর গাছ কাটা শুরু করা হয়।তিনি বলেন, পরে একই গ্রামের আব্দুল হামিদ ও মনোরঞ্জন ওই গাছের মালিকানা দাবি করে গাছ কাটায় বাধা দেন।বিষয়টি মানিক সরকারকে জানানো হলেও তিনি কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি। পরে স্থানীয়ভাবে কাগজপত্র যাচাই করে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে গাছের একটি অংশের মালিকানা আব্দুল হামিদ ও মনোরঞ্জনের বলে শনাক্ত হয়।এরপর তাদের প্রাপ্য হিসেবে ১২ হাজার ৫০০ টাকা পরিশোধ করা হয়।এতে গাছের জন্য পূর্ব নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়।

যোগোযোগ: ০১৮৩০৩৯৩৪৩৯

রুস্তম আলীর দাবি, এরপরও মানিক সরকার একটি গাছ কাটতে দেননি। এতে অতিরিক্ত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে তার কাছে বাড়তি অর্থ ফেরত দাবি করা হয়।বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে মানিক সরকার অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।তারা অভিযোগ করেন, গত ২১ জুন মচমইল বাজারের একটি হোটেলে টাকা ফেরতের বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে মানিক সরকার তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন।পরে হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

এ ব্যাপারে গাছের মালিক আব্দুল হামিদ এবং মনোরঞ্জন বলেন,এখানে মানিকের কোন জমি নেই অথচ সে আমাদের জমির গাছ গোপন বিক্রি করে দিয়েছিল।আমরা জানতে পারার পরে রুস্তমের কাছ থেকে আমরা গাছের দাম নিয়েছি।রুস্তম আলীর ভাষ্য, প্রতিপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এবং পাওনা অর্থ পরিশোধ এড়াতেই এ ধরনের অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মানিক সরকারের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।স্থানীয় সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।তবে এখনো বিরোধের স্থায়ী সমাধান হয়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সম্পাদক: মনজুর আলম, প্রকাশক: আমিন উদ্দীন ।  কপিরাইট © প্রথম সকাল কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন