কালিগঞ্জে নাবালক-নাবালিকার কথিত বিয়েকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের অভিযোগ

শিমুল হোসেন, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ । ৫:১৬ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার চর শীতলপুর গ্রামে নাবালক ছেলে ও নাবালিকা মেয়ের কথিত বিয়েকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা, ভাঙচুর, শ্লীলতাহানি ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগে ৮ জনের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বাদীপক্ষের দাবি, ঘটনার পরও অভিযুক্তরা তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছেন।

Waterproof mobile Cover
01830 393439

গত ২৬ জুন ২০২৬, জুমার নামাজের পর এ ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মামলার বাদী চর শীতলপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহানারা বেগম, স্বামী রফিকুল ইসলাম। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— ইকবাল খাঁ, আশরাফুল ইসলাম, বাপ্পি বেপারী, জয়নাল খাঁ, মনি খাতুন, লিমা খাতুনসহ মোট আটজন।মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা তাদের নিকট প্রতিবেশী। প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে অভিযুক্ত ইকবাল খাঁ তার নাবালিকা কন্যা বৈশাখী খাতুনের সঙ্গে বাদীপক্ষের ১৮ বছর বয়সী ছেলে আশরাফুলের পরিবারের সম্মতি ছাড়াই বিয়ে দেন এবং পরে তাকে নিজ বাড়িতে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উভয়েই নাবালক-নাবালিকা হওয়ায় এবং প্রচলিত আইনে ওই বিয়ে বৈধ নয় দাবি করে বাদীপক্ষ বিষয়টি মেনে নেয়নি।এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন জুমার নামাজ শেষে রফিকুল ইসলাম তার ছেলে আশরাফুলকে বাড়িতে নিয়ে এলে অভিযুক্তরা ধারালো দা, লোহার রড, বাঁশের লাঠি, ইট ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালান। হামলায় রফিকুল ইসলামের মাথা লক্ষ্য করে লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হলে তা তার নাকে লাগে এবং নাকের হাড় ভেঙে গুরুতর রক্তক্ষরণ হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।বাদীপক্ষের দাবি, এ সময় আশরাফুলও ইটের আঘাতে আহত হন। হামলায় রফিকুল ইসলাম, জাহানারা বেগম, নুর মোহাম্মদ পাড় ও সাইফুল ইসলাম আহত হন। এছাড়া জাহানারা বেগমকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা নুর মোহাম্মদের মুদি

যোগাযোগ
০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

দোকান ও চা-স্টলে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেন এবং ক্যাশবাক্সে থাকা ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান।স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে গুরুতর আহতদের কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাদীপক্ষ জানায়, রফিকুল ইসলামের নাকের হাড় ভাঙার এক্স-রে রিপোর্ট, হাসপাতালের ছাড়পত্র এবং আহত অবস্থার আলোকচিত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে।এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে।তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সম্পাদক: মনজুর আলম, প্রকাশক: আমিন উদ্দীন ।  কপিরাইট © প্রথম সকাল কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন