কেশবপুরে সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের জমি দখলের অভিযোগ, ভুক্তভোগীর থানায় জিডি

হাফিজুর রহমান কেশবপুর প্রতিনিধি, যশোর।
প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬ । ৫:০৭ অপরাহ্ণ

কেশবপুর উপজেলার পরচক্রা গ্রামে এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।পরচক্রা গ্রামের তপন কুমার মন্ডল (৪৪)পিতা মৃত চিত্তরঞ্জন মন্ডলের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে,ইসমাইল বিশ্বাস(৪৮)পিতা মৃত লুৎফর বিশ্বাসের নামে।এই বিষয়ে অভিযোগ কারী তপন কুমার মন্ডল থানায় একটি সাধারণ জিডি করেছে,ভুক্তভোগী তপন কুমার মন্ডল বলেন

যোগোযোগ: ০১৮৩০৩৯৩৪৩৯

কেশবপুর থানাধীন ৮৮নং পরচক্রা মৌজায় আর এস ৪৪৩ ও ৫৬৮ নং খাতিয়ানের আর এস ১৪৫২ ও ১৪৫২ নং দাগে তপন মন্ডল ও তপন মন্ডলের শরিকের ৭৫ (৩৭+৩৮)শতক জমি আছে।উক্ত দাগের ৮ শতক জমি ইসমাইল বিশ্বাস ক্রয় করে,কিন্তু দলিলের কোটেশন অনুযায়ী জমি ইসমাইল বিশ্বাস দখল না করে, রাস্তার পাশে আমাদের জমি জোরপূর্বক দখল করে।তপন কুমার আরো বলেন,জমি দখল দেওয়ার সময় লোকজন নিয়ে লাটি সোটা সহ

বিজ্ঞাপন

আমার ভাই প্রতাপ ও ভাইপো অমিতকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি মেরে জমি জোরপূর্বক দখল করে।উক্ত জমিতে ইসমাইল দোকান তৈরি করছে, আমরা নিষেধ করলে আমাদের প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে।আমরা অসহায় হয়ে গ্রাম্য শলিশের মাধ্যমে সমাধান করতে যেয়েও কোন প্রতিকার না পেয়ে আমরা থানায় একটি অভিযোগ করেছি।

আমরা চাই ইসমাইলের জমির দলিলের কোটেশন অনুযায়ী জমি ভোগদখল করুক।আমরা আমাদের জমি ফেরতসহ জীবনের নিরাপত্তা চাই।এই বিষয়ে সাংবাদিকরা ঘটনা স্থানে গেলে কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানতে পারে,ভুক্তভোগী তপন কুমার মন্ডল সংখ্যালগু হওয়ায়, ইসমাইল হোসেন সেই সুযোগে জমি জোরপূর্বক দখল দিচ্ছে।পরচক্রা গ্রামের বিএনপি নেতা প্রফেসর আব্দুর রউফ সাংবাদিকদের বলেন,আমরা এলাকায় শান্তি চাই জমির সঠিক মালিক যে সে জমি ভোগদখল করুক আমরা সেটা চাই।

যোগাযোগ ০১৮৩০ ৩৯৩৪৩৯

৪নং বিদ্যানন্দকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল ইসলাম বলেন,আমরা এই বিষয় নিয়ে গ্রাম্য শালিশ করেছিলাম,কিন্ত ইসমাইল সেই শালিশ অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল করে দোকান তৈরী করছে

দখলকৃত জমি

এই পরিবারটা সংখ্যালগু পরিবার আমরা এর একটা সঠিক বিচার চাই।এই বিষয়ে অভিযুক্ত ইসমাইল এর কাছে জিজ্ঞাসা করলে বলেন,আমি জমি যে জায়গায় কিনেছি, সেখানেই ভোগদখল করতেছি।সালিশের মাধ্যমে একটা বিচার হয় কিন্ত অভিযোগ কারী তপন কুমার মন্ডল সেই বিচার অমান্য করে,সেই জমিতে মাছ ছাড়ে,যার কারণে আমি দোকান উঠিয়েছি।এই বিষয়ে কেশবপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)রেখসানা খাতুনের কাছে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বলেন অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পাদক: মনজুর আলম, প্রকাশক: আমিন উদ্দীন ।  কপিরাইট © প্রথম সকাল কর্তৃক সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন